লকডাউনে গিয়েছে চাকরি, খাবারের খোঁজে 'লড়াই' পরিযায়ী শ্রমিকদের
লকডাউনে গিয়েছে চাকরি, খাবারের খোঁজে 'লড়াই' পরিযায়ী শ্রমিকদের
করোনা ভাইরাসের জেরে দিকে দিকে করুণ কাহিনী। লকডাউনের জেরে কাজ গিয়েছে অনেকের। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে খাবারের জন্য লড়াই। এলড়াই শুধু মোদী রাজ্যেই নয়, কমবেশি দেশের সবকটি রাজ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

লকডাউনে গিয়েছে চাকরি
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বিহারের এক শ্রমিকের কাহিনী। কিন্তু এখানে নাম উল্লেখ করছি না। কেননা, এই লড়াই আর নামে থেকে নেই। ২২ মার্চ গুজরাত সরকার ৩ দিনের লকডাউন ঘোষণা করতেই চাকরি গিয়েছিল বিহারের ২২ বছর বয়সী বিহারের এক যুবকের। সেই সময় ওই যুবকের পকেটে ছিল মাত্র ৫০ টাকা। ভাড়ার ঘরে ছিল বেশ কয়েক কেজি আটা। গাদাগাদি করে থাকা ঘরে সবাই তাঁরই মতো শ্রম দান করতে গিয়েছে মোদী রাজ্যে। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে খাবারের জন্য লড়াই।

খাবার না পাওয়ার অভিযোগ
একরকমই এক শ্রমিকের অভিযোগ তাঁরা ক্ষুধার্ত। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে কোনও খাবার মেলেনি। সেই সময় মিলেছিল চারটি করে পুরি আর সবজি। বিহার থেকে যাওয়ার এই সব শ্রমিকরা জানিয়েছেন ফেব্রুয়ারিতে কাজের খোঁজে গিয়েছিলেন তাঁরা।

বিহারই ভাল, বলছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা
বিহার থেকে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের এই অভিজ্ঞতার পর তাঁরা বলছেন, তাঁদের বিহারই ভাল। কেননা তারা বিহারের যেসব এলাকা থেকে গিয়েছিলেন, সেইসব এলাকায় বেশ কিছু মাঝারি কিংবা ক্ষুদ্র শিল্প রয়েছে। যে কোনও ভাবে গুজরাত থেকে বিহার ফিরতে চাইছেন তাঁরা।

কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
অনেকেই বিহার থেকে গুজরাতে গিয়েছিলেন কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে। কিন্তু সেই কন্ট্রাক্টর এই মাসের বেতনই দেয়নি। ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

ঘরে কিছু না থাকার করুণ কাহিনী
শ্রমিকরা বলছেন, ঘরে যে আটা রয়েছে তাতে এক কিংবা দুদিন চলবে। সেই গ্রামের রেশন দোকানও বন্ধ। এদিকে পকেটে টাকা নেই, অন্য দিকে খাবারেরও খোঁজ নেই। প্রতিবেশীরাও সাহায্যে এগিয়ে আসছেন না।

গুজরাত সরকারের নির্দেশ
যদিও ইতিমধ্যেই গুজরাত সরকার নির্দেশ দিয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে। যে যেখানে রয়েছে, তাঁদের সেখানেই থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি জেলাশাসকদের বলা হয়েছে, এইসব পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খাবারের বন্দোবস্ত করতে।












Click it and Unblock the Notifications