দেশ জুড়ে মধুচক্রে! বিজেপি, কংগ্রেসের ৮ প্রাক্তন মন্ত্রী এবং ১২ শীর্ষ আধিকারিকের জড়িত থাকার অভিযোগ
৮ প্রাক্তন মন্ত্রী এবং ১২ জনের মতো শীর্ষ আধিকারিকের মধুচক্রে জড়িয়ে পড়ায় অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
৮ প্রাক্তন মন্ত্রী এবং ১২ জনের মতো শীর্ষ আধিকারিকের মধুচক্রে জড়িয়ে পড়ায় অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই প্রাক্তন মন্ত্রীদের মধ্যে বিজেপি ও কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রীরা রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আর মধুচক্রের উৎস মধ্যপ্রদেশ। মোবাইল ও কম্পিউটার থেকে পাওয়া প্রায় একহাজার সেক্স চ্যাটের ক্লিপ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ মহিলা যৌন কর্মী এবং কলেজের ছাত্রীদের দিয়ে ফাঁদে ফেলেছিলেন এইসব শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রাক্তন মন্ত্রীদের। প্রায় ২০০ মোবাইল ফোন যোগাযোগ ঘেঁটে পুলিশের অনুমান এই চক্র মধ্যপ্রদেশের বাইরেও ছড়িয়ে।

মধুচক্রে জড়িত রাজনৈতিক নেতা, শীর্ষ আধিকারিক
তদন্তের জন্য গঠিত সিটের প্রধান সঞ্জীব সামি জানিয়েছেন, ১০ জনের বেশি শীর্ষ আধিকারিককে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আর যেসব রাজনৈতিক নেতাকে গোপন ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে তাঁরা সবাই বিজেপি ও কংগ্রেসের।

গ্রেফতার ৫ মহিলা
এখনও পর্যন্ত ৫ মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁরা হলেন, স্বেতা জৈন(৩৯), তাঁর ৪৮ বছরের এক সহযোগী বরখা সোনি, আরতি দয়াল(৩৪), এবং ১৮ বছরের এক কলেজ ছাত্রী। আরতি দয়ালের গাড়ির চালককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বরখা সোনি কংগ্রেসের প্রাক্তন আইটি সেলের প্রধান অমিত সোনির স্ত্রী বলে জানা গিয়েছে।
শ্বেতা জৈন স্থানীয় এক বিজেপি বিধায়ক ব্রিজেন্দ্র প্রতাপ সিং বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালান বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মারাঠাওয়াড়ার এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ আছে বলে জানা গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন এক মন্ত্রীর মাধ্যমে ওই নেতার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য
শ্বেতা জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, নিম্ন মধ্যবিত্য পরিবারের দু ডজনের ওপর কলেজ ছাত্রীকে এই ব্যবসায় নামানো হয়েছিল, মূলত শীর্ষস্থানীয় আধিকারিক এবং রাজনৈতিক নেতাদের ফাঁদে ফেলতে। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন, বেস কিছু কলেজ ছাত্রীকে চাকরি দেওয়ার নাম করে তিনি এই ব্যবসায় ঢুকিয়ে ছিলেন। প্রত্যেক মহিলার নিজেস্ব দল ছিল। কয়েকমাস আগে এরকমই একটি দল এক আইএএস অফিসারকে ভিডিও দেখিয়ে হুমকি দিয়ে ২ কোটি টাকা দাবি করেছিল বলেও জানা গিয়েছে।

পুলিশি তদন্তে বাজেয়াপ্ত বহু জিনিস
কয়েক বছরে এইদলটি প্রায় হাজার খানেকের ওপর ভিডিও বানিয়েছে প্রভাবশালীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের জন্য। পুলিশ ইতিমধ্যেই ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, এবং ভিডিও বাজেয়াপ্ত করেছে শ্বেতা জৈনের বাড়ি থেকে।












Click it and Unblock the Notifications