কাশ্মীরে G20 শীর্ষ বৈঠক! 26/11-র মতো হামলার ষড়যন্ত্র ফাঁস
কাশ্মীরে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে শুরু হয়েছে জি ২০ শীর্ষ বেঠক। সেখানে জি ২০ ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে সেখানে সম্নেলনের যাত্রা পথের পরিবর্তন করা হয়। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, পাকিস্তানের আইএসআই-এর নির্দেশে সেখানে ২৬/১১-র মতো হামলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল।
কাশ্মীরের এক অভিজাত হোটেলে কাজ করা কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই ষড়যন্ত্রের বিষয়টি সামনে আসে। সঙ্গে সঙ্গেই সম্মেলনের যাত্রা পথের পরিবর্তন করা হয়। এছাড়াও সম্মেলনস্থালের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের তরফে সন্দেহজনক আন্তর্জাতিক মোবাইল নম্বরগুলির বিরুদ্ধে সাধারণের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে।

কাশ্মীরে জি ২০ বৈঠক নিয়ে গুজব ছড়াতেও সেইসব মোবাইল ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। নিরাপত্তা বাহিনী জি ২০ বৈঠকের আগে ক্র্যাকডাউনের অংশ হিসেবে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ফারুক আহমেদ ওয়ানিকে গ্রেফতার করে।
সোপরের বাসিন্দা ফারুক আহমেদ ওয়ানি গুলমার্গের একটি বিখ্যাত পাঁচতারা হোটেলে কাজ করত। সে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি আইএসআই-এরক কর্মকর্তাদের নির্দেশেও কাজ করত। যার প্রমাণ পাওয়ার পরেই নিরাপত্তা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওয়ানি জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদীদের উদ্দেশ্য ছিল কোনও হোটেলে প্রবেশ করা। আর সেখানে থাকা বিদেশি অতিথিদের মবুম্বই হামলার মতো পণবন্দি করা। আর তা না হলে গুলি চালিয়ে হত্যা করা।

নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা বিভিন্ন হোটেলের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের থেকে জানতে পেরেছেন, সন্ত্রাসবাদীরা কাশ্মীরে জি চচ২০ সম্মেলনের সময় একসঙ্গে দু থেকে তিনটি জায়গায় হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল। যে কারণে শ্রীনগর-সহ কাশ্মীর জুড়ে সমস্ত গতিবিধি সিসিটিভি এবং ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
কাশ্মীরের বিভিন্ন হোটেলে কাজ করা ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কাররাই সন্ত্রাসবাদীদের নগদ, আশ্রয় কিংবা অন্য সাহায্য দিয়ে থাকে। আর এই সাহায্যের ফলেই জম্মু ও কাশ্মীরে হিজবুল মুজাহিদিন, জৈশ-ই-মহম্মদের মতো দেশ বিরোধী শক্তিগুলি তাদের কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications