৩৭টি জেলার ২০ শতাংশ মানুষ পেয়েছে প্রথম ডোজ, ভ্যাকসিন সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
৩৭টি জেলার ২০ শতাংশ মানুষ পেয়েছে প্রথম ডোজ
দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভ যেভাবে তীব্র ও দ্রুতভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে মানুষের মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এরই মাঝে তাই বলা চলে গণ টিকাকরণ একমাত্র আশা দেশবাসীর, যাতে কোভিড–১৯ কিছুটা দমন করা যেতে পারে। গত তিনমাস ধরে চলছে এই টিকাকরণ। ভারতের এখন তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ চলছে।

৩৭টি জেলার ২০ শতাংশ পেয়েছে প্রথম ডোজ
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ভারতের জেলা-ভিত্তিক টিকাকরণের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখেছে ৭২৬টি জেলার মধ্যে মাত্র ৩৭টি জেলা (৫ শতাংশ) ২০ শতাংশ বা তার বেশি মানুষের টিকাকরণ করেছে। অন্যদিকে কোউইন অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী টিকাকরণে দারুণ কাজ করে দেখিয়েছে পুদুচেরির মাহে ও গুজরাতের জামনগর। তথ্য বলছে, তারা তাদের জনসংখ্যার তৃতীয়াংশকে কমপক্ষে একটি ডোজ দিয়েছে। তবে জেলাগুলির বেশিরভাগ অংশই টিকাকরণের ক্ষেত্রে সেভাবে কাজ করে দেখাতে পারছে না।

জেলা ভিত্তিক রিপোর্ট
ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে ৫৮ শতাংশ জেলার ১০ শতাংশেরও কম জেলাতে এবং ৩৭টি শতাংশ জেলার ১০-১২ শতাংশ জেলায় চলছে টিকাকরণ। সবচেয়ে কম টিকাকরণ হয়েছে কর্নাটকের বিজাপুর ও অসমের সালমারাতে। কোউইনের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিতে তাদের জনসংখ্যার ১০ শতাংশ টিকা পেয়েছে। যদিও রাজস্থান, গুজরাত, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং কেরলের অদিকাংশ জেলায় তাদের জনসংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি নাগরিক টিকা পেয়েছে।

সমীক্ষায় সাহায্য করেছে কোউইন ডেটা
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম গোটা দেশে টিকাকরণের প্রস্তুতি ট্র্যাক করেছে কোউইন ডেটার মাধ্যমে। কমপক্ষে ৩ মে-এর হিসাবে প্রথম ডোজের টিকা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির আনুমানিক জনসংখ্যার দ্বারা ভাগ করা হয়। জনসংখ্যা 2020 সালের হিসাব ওয়ার্ল্ডপপ ডেটার উপর ভিত্তি করে এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌগলিক অন্তর্দৃষ্টি ল্যাবের বিজ্ঞানীদের দ্বারা গণনা করা হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হয়েছে করোনার টিকাকরণ। বর্তমানে তৃতীয় পর্যায়ের অর্থাৎ ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী নাগরিকদের টিকাকরণ চলছে। গত বছর মার্চে করোনার প্রথম ওয়েভের পর এ বছর ফেব্রুয়ারির শেষের দিক থেকে দ্বিতীয় ওয়েভের সংক্রমণ দ্রুতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

তৃতীয় পর্যায়ে ভ্যাকসিনের ঘাটতি
১৮ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিকদের টিকাকরণ শুরু করা হলেও ভ্যাকসিনের ঘাটতির ফলে টিকাকরণ কর্মসূচি ব্যাহত হয়েছে বেশ কিছু জেলায়। ৩ মে প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়। যা গত মাসে ৪০ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়ার শিখর থেকে অনেকটাই কম। তবে অদূর ভবিষ্যতে টিকাকরণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা সরকারের।












Click it and Unblock the Notifications