TMC-BJP Setting: তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির সেটিং! হুগলিতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ অপসারিত মণ্ডল সভাপতিদের
TMC-BJP Setting: পঞ্চায়েত নির্বাচনে হুগলি জেলায় ফলের নিরিখে প্রত্যাশার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি বিজেপি। বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। প্রথমে মণ্ডল স্তরে, পরে জেলা ও রাজ্য স্তরেও হবে।
যদিও মণ্ডল সভাপতি বদলানোর সিদ্ধান্তের পরই বিক্ষোভের আঁচ লাগল বিজেপির হুগলি জেলা পার্টি অফিসে। অপসারিত মণ্ডল সভাপতিরা অনুগামীদের নিয়ে আনলেন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

বিজেপি কর্মীদের নিয়ে মণ্ডল সভাপতিরা বিক্ষোভে সামিল হয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন, রাতের অন্ধকারে কাউকে না জানিয়ে সাংগঠনিক পদে রদবদল করা হয়েছে। যাঁদের সরানো হচ্ছে তাঁদের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, কিংবা জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার কাউকে কিছু জানাননি বলে অভিযোগ। সাংগঠনিক রদবদল পছন্দ না হওয়াতেই এই বিক্ষোভ।
অভিযোগ, যাঁরা পঞ্চায়েত ভোটে দলের হয়ে কাজ করেননি এমন লোকদের মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে। জেলায় ৩০টি মণ্ডলের ২৩টিতে সভাপতি বদল করা হয়েছে। বিজেপির নীচুতলার নেতৃত্বর সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই বদল করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সাংসদ ও জেলা সভাপতির ঘনিষ্ঠদের মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছে। যাঁরা ভোটে মার খেলেন তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
হুগলি ৩নং গেট জেলা কার্যালয়ে জেলা নেতৃত্বকে নিজেদের অভিযোগ জানাবেন বলে জড়ো হন ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা। সেখানে কাউকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি ধনিয়াখালি মণ্ডলের প্রাক্তন সভাপতি তনুশ্রী দাস বলেন,পঞ্চায়েত ভোটে আমরা পড়ে পড়ে মার খেলাম, সভাপতিকে পাশে পাইনি। তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই আমরা করছি, আর পদ দেওয়া হচ্ছে অন্যদের।

অভিযোগ, জেলা সভাপতি তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে সাংগঠনিক রদবদল করেছেন, যাতে তৃণমূলের সঙ্গে টাকা তুলে উপরে পাঠানো যায়। বিজেপি নেতা বিশ্ব বাউল দাস বলেন, যদি পঞ্চায়েত ভোটে হারের জন্য মণ্ডল সভাপতিদের সরানো হয়, তবে সেই হার জেলা সভাপতিরও। তাই জেলা সভাপতির উচিত হারের দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করা।
এই বিক্ষোভ নিয়ে হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, আমার সময়ই ওঁদের মণ্ডল সভাপতি করা হয়েছিল। সবাই বিজেপির সৈনিক। ওঁদের জেলায় পদ দেওয়া হয়েছে, আরও বড় দায়িত্ব দেওয়া হবে। সেটা হয়তো বুঝতে পারছেন না তাঁরা। তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং তত্ত্বও উড়িয়ে দেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications