Manoj On Prasun: প্রসূনকে নিয়ে সরব মনোজ, শিবপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ইন্ধনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
Manoj On Prasun: হাওড়া থেকে চতুর্থবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সব বিধানসভা ক্ষেত্রেই পিছনে ফেলে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীকে।
রথীনও আগে তৃণমূলে ছিলেন। এবার প্রসূনকে হারাতে শিবপুরে তৃণমূলের একাংশ সাবোজাত করতে চেয়েছিল বলে দাবি করলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।

হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের শিবপুর বিধানসভা ক্ষেত্রে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪৬৪ ভোট, রথীনের প্রাপ্ত ভোট ৬৫,২৫৮। ১৪,২০৬ ভোটের লিড পেয়েছেন শিবপুর বিধানসভা ক্ষেত্র থেকে। যা ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই বেশি।
দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করানোর জন্য শিবপুরের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মনোজ। ক্রিকেট মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মনোজ টিমগেমে বিশ্বাসী। রাজনীতির পিচেও মাথা না নুইয়ে সেই টিমগেমে আস্থা মনোজের। তবে ক্ষুব্ধ সাংসদ প্রসূনের ভূমিকায়।
ভিডিও বার্তায় মনোজের কথায় উঠে এসেছে শিবপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথাও। মনোজ কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের পরিশ্রম কাজে দিয়েছে। যেভাবে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, বছরের পর বছর ধরে আপনারা পরিশ্রম করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবারের নির্বাচনেও তার ফল পেয়েছি।
মনোজ জানান, আগের লোকসভা ভোটে ৮ হাজারের কাছাকাছি লিড এবার বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার ২০৬। অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু এটাও জানি, অনেকেই পিছন থেকে সাবোতাজ করেছেন, চলেছে হুইস্পারিং ক্যাম্পেন। বিজেপিকে ভোট দিতে বলা হয়েছে, ছাতা উপহার দেওয়া হয়েছে।
মনোজের দাবি, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে না জিততে পারেন তার যেমন চক্রান্ত হয়েছে, তেমনই মনোজের বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলকে হারিয়ে দলের উপরের নেতৃত্বের কাছে বার্তা দেওয়া হতো, মনোজ রাজনীতি করতে পারেন না। এ বিষয়ে তার ভোটের আগে প্রসূনের সঙ্গে কথাও হয়েছিল। দলের অনেকে বিরোধিতা করলেও প্রসূনের পাশেই ছিলেন মনোজ।
মনোজ সে কারণেই বলেছেন, দুঃখ পেয়েছি, মন খারাপ। আপনি ফোন বন্ধ রেখেছেন। আপনার ওখান থেকে আমাকে বা দলের কর্মীদের কেউ ধন্যবাদ জানাননি। এত কিছুর পরেও যে এই রেজাল্ট করাতে পেরেছি সেজন্য প্রশংসাসূচক কোনও বার্তাও আসেনি। যদিও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর সঙ্গে ফল বেরনোর পর প্রসূনের ঘনিষ্ঠতা দেখেই সরব হয়েছেন মনোজ।
মনোজের কথায়, অনেক ছবি দেখছি যাঁরা বিরোধিতা করেছেন, শিবপুরের বিধায়কের বিরোধিতা করে চলেছেন, নির্বাচনে দলের কাজ না করে সাবোতাজ করেছেন, তাঁদের সঙ্গে প্রসূনদা গলা মিলিয়ে ছবি তুলছেন, ফুলের মালা পরছেন। দলের কর্মীরা এই ধরনের ছবি দেখে বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছেন না। যাঁরা ভোট করাননি তাঁদের সঙ্গে মিলে গিয়ে দাদা কাজটা ঠিক করলেন না। আপনাকে ভালোবেসেছি, চিনেছি। আপনাকে যে সম্মান করতাম, সেটা আর করতে পারব না। দলের বিশ্বস্ত সৈনিকদের নিয়েই শিবপুরে তৃণমূলের বিজয়রথ অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ও শোনা গিয়েছে মনোজের গলায়।












Click it and Unblock the Notifications