Gurap Rape and Murder Case: গুড়াপে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে দোষীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল আদালত
Gurap Rape and Murder Case: হুগলির গুড়াপে শিশুকন্যা ধর্ষণ ও খুনে মৃত্যদণ্ডের সাজা। ধর্ষণ ও খুনের ৫৫ দিনের মাথায় সাজা ঘোষণা। দোষী অশোক সিংহকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল চুঁচুড়ার পকসো আদালত। গত সালের ২৪ নভেম্বর পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে খুনের দায়ে দুষ্ট প্রতিবেশী অশোক সিংহ।
ঘটনাচক্রে আজই মৃত ওই শিশুর জন্মদিন ছিল। খুনে দোষী প্রতিবেশী প্রৌঢ়কে আজই মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিল চুঁচুড়ার পকসো আদালত। ঘটনার তদন্তে মোট ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এর আগে ঘটনার ৫২ দিনের মাথায় গত বুধবার দোষী সাব্যস্ত করা হয় অভিযুক্তকে। ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার ছিল চূড়ান্ত রায়দান। এদিন চুঁচুড়ার পকসো কোর্টের বিচারক চন্দ্রপ্রভা চক্রবর্তী দোষীকে সর্বোচ্চ সাজার বিধান শোনান।

ঠিক কী হয়েছিল ওই শিশুর সঙ্গে?
জানা যায়, গত ২৪ নভেম্বর হুগলির গুড়াপে পাঁচ বছরের ওই শিশু কন্যাকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী প্রৌঢ় অশোক। এদিকে মেয়েটির বাড়িতে তার বাবাও ছিলেন না। তিনি গিয়েছিলেন বাজার থেকে মাংস কিনতে। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণ ও খুন করে ওই আসামী।
এদিকে বাড়ি ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে হন্যে হয়ে খোঁজ শুরু করেন শিশু কন্যার বাবা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে নিখোঁজ ছিল সে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রতিবেশীরাও খুঁজতে শুরু করেন। হইচই পড়ে যায় গোটা এলাকায়। এরপরেই প্রতিবেশী ওই প্রৌঢ়ের ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। তড়িঘড়ি ধনিয়াখালি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও ব্যর্থ হয় শেষ চেষ্টা। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অভিযুক্তকে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। এদিকে কলকাতা মেডিক্যালে ময়নাতদন্ত হয় শিশুর দেহের। পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন হুগলি গ্রামীণের পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন। গত ৯ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ১১ তারিখ সম্পন্ন হয় চার্জ গঠন প্রক্রিয়া। মোট ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। আর শুক্রবার অবশেষে ফাঁসির সাজা ঘোষণা আদালতের।












Click it and Unblock the Notifications