ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল
ইয়াস-বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনায় আজ বুধবার নবান্নে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক। আর এই বৈঠকের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ, পূজালি, মহেশতলা এলাকা পরিদর্শন করবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। ভরা কটালে জলোচ্ছ্বাস
ইয়াস-বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনায় আজ বুধবার নবান্নে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক। আর এই বৈঠকের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ, পূজালি, মহেশতলা এলাকা পরিদর্শন করবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। ভরা কটালে জলোচ্ছ্বাসের জেরে ওইসব এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে।

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এই সমস্ত এলাকা। এলাকা পরিদর্শনের পর দুপুরে নবান্নে গিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। বৈঠকে ক্ষয়ক্ষতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও, আর্থিক পাওনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে খবর।
ইয়াস বিধ্বস্ত বাংলার উপকূল। কার্যত শশ্মানে পরিণত হয়েছে দিঘা, শঙ্করপুর। সাইক্লোনের দাপট বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখন ত্রাণ শিবিরে বহু মানুষ। জল জমে বহু জায়গাতে। এই অবস্থায় মঙ্গলবার এলাকা পরিদর্শনে তিন সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।
আকাশপথে দিঘা ও তার পার্শবর্তী এলাকা পরিদর্শনে যান প্রতিনিধি দলের আধিকারিকরা। সেখানে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। জানা যাচ্ছে, এরপর তাজপুর, মন্দারমনি সহ দিঘার একাধিক অঞ্চল ঘুরে দেখেন প্রতিনিধি দলের আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের মতো করে সাজানো হয়েছে দিঘাকে। কিন্তু আজ তা ধ্বংসের চেহারা নিয়েছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কাছে ১০ হাজার কোটির প্যাকেজ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুন্দরবনের জন্যও চেয়েছেন প্যাকেজ। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় দল ঘুরে দেখছে পরিস্থিতি।
শেষমেশ কত টাকা দেয় সেদিকেই নজর নবান্নের। উল্লেখ্য, রবিবার রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছান ৭ সদস্যের ওই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। সোমবারও ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন তাঁরা। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে রিপোর্ট সংগ্রহ করেন তাঁরা।
সোমবার থেকে তিন দিনের সফরে তাঁরা ঘুরে দেখছেন পাথরপ্রতিমা, গোসাবা সহ ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকগুলি। সেখানে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করবেন আধিকারিকরা। সেই রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রের হাতে। এই কেন্দ্রীয় দলের নেতৃত্বে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব।
এই দলে রয়েছেন কৃষি মন্ত্রক ও খাদ্য মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও। বুধবার তাঁরা দিল্লি ফিরে যাবেন। ইতিমধ্যে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শেষমেশ কত টাকা পাওয়া যায় সেদিকেই নজর।












Click it and Unblock the Notifications