নেড়ি পুলিশ থেকে সাবধান! অখিল গিরি প্রশ্নে তৃণমূলের মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন মহঃ সেলিমের
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী অখিল গিরির বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে এবার নাম না করে মন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। রবিবার বিকেলে বালির এসি মাঠে সিটু'র ১৫
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রী অখিল গিরির বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে এবার নাম না করে মন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। রবিবার বিকেলে বালির এসি মাঠে সিটু'র ১৫ তম হাওড়া জেলা সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন
সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক তৃণমূলের মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, যদি ন্যূনতম মূল্যবোধ থাকত, তাহলে ওই লোকটাকে ( তাঁর নাম নিতেও আমার ঘৃণা হয়) কান ধরে দল থেকে, মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দিত। মন্ত্রীর ওই কাজ ভদ্রতা-সভ্যতার বিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই কাজ করে উনি রাজ্যের মানবতাবাদকে অপমান করেছেন, বলেন সেলিম।

নেড়ি পুলিশ
পুলিশে কামড়ানো ইস্যু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মহঃ সেলিম বলেন, ইংরেজ আমল থেকে দু'রকম কুকুর ছিল। একটা পোষা কুকুর আর একটা রাস্তার নেড়ি কুকুর। সবাই বলত, এদের থেকে সাবধানে থাকতে হয়। এখন দেখা যাচ্ছে আগে পুলিশ ছিল, তারপরে সিভিক হল। আর এখন নেড়ি পুলিশ হলো। সেলিম বলেন, "কোথাও বিজেপির ঝাণ্ডা নিয়ে কোথাও তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে চোরেদের রাজ্য চলছে। সমাজটা কত নিচে নেমে গেছে বলে রাজনীতিতে এতো কু-কথা চলছে।

কী উপকার হয়েছে হাওড়ার মানুষের
সেলিম বলেন, প্রশাসনিক সদর দফতর যখন হাওড়াযর নবান্নে এলো, তখন হাওড়ার মানুষ ভেবেছিলেন অনেক কিছু সুযোগ সুবিধা তারা পাবেন। কারণ রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর তাঁদের জেলায় হয়েছে। কিন্তু হাওড়ার মানুষ কি উপকার পেয়েছেন, প্রশ্ন করেন তিনি। সেলিম বলেন, এখানে নির্বাচনই হয়নি। হাওড়া আর বালির ক্ষেত্রে যা রেকর্ড হয়ে গেছে। রায়গঞ্জ, দুর্গাপুর, হলদিয়া সব এক অবস্থা, বলেন তিনি।

হাওড়া আর বালির মধ্যে বিরোধ বাধিয়েছে
হাওড়া আর বালির মধ্যে ওরা বিরোধ দেখিয়ে বলছে, নির্বাচন করব না। তিনি বলেন, আসলে নির্বাচন করতে ওরা চায় না। তৃণমূল সরকার নির্বাচনকে ভয় পায় বলেও মন্তব্য করেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক। এখন বুঝতে পারছে ভোট লুট করে ওরা নির্বাচনে জিততে পারবে না। ভোট লুট করে নির্বাচনে জেতা সম্ভব নয়, কারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে। পুরভোট না হলে পুর ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications