প্রকাশ্যে চামড়া গুটিয়ে দেওয়ার হুঙ্কার তৃণমূল বিধায়কের! আবারও শিরোনামে আসা নেতার সমালোচনায় BJP-CPIM
দলীয় কর্মীদের সামনে মারের নিদান খোদ বিধায়কেরই। সামনে পঞ্চায়েত ভোট আর তার আগেই সভা থেকে হুঙ্কার তৃণমূল বিধায়কের, চামড়া গুটিয়ে দেব। বিজেপির দাবি মানুষের রায়ে আস্থা নেই তাই কুকথা। তৃণমূল নির্বাচনের আগে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে কটাক্ষ করেছে সিপিআইএম।
চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে তৃণমূলের সভা থেকে বিধায়ক অসিত মজুমদার প্রকাশ্যে বলেন, চামড়া গুটিয়ে দেব। কারণ তৃণমূলের অনেক কর্মীর রক্ত ঝরেছে। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ২০১১ তে কিছু বলেননি, ২০১৬ সালে কিছু বলেননি, ২০২১ সালেও বলেননি, তবে সময় এলে বলবেন।

সভা থেকে হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ব্যঙ্গ করে তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ভাল সাজার দরকার হলে ঘড়ির মোরে আসে লকেট। না হলে চুঁচুড়ার মানুষ তাঁকে দেখতে পান না। যেখানে গণ্ডগোল, অশান্তি সেখানে সাংসদকে দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃণমূল বিধায়ক এদিন বিজেপি সাংসদকে আক্রমণ করতে গিয়ে কার্যত নিজের সীমা ছাড়িয়ে যান। তিনি বলেন, সেজেগুজে আসে আর বলে ইডি যাবে সিবিআই যাবে। যেন ওর বাপের জমিদারি, ইডি আর সিবিআই দিয়ে সারা ভারতবর্ষ চালাবে, বলেন অসিত মজুমদার।

হুগলির বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, বিধায়কের এই ধরনের বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার, মানুষের রায়ের ওপর তাদের আস্থা নেই। দলের কর্মীদের সেই বার্তাই দিচ্ছেন যে নির্বাচনে সন্ত্রাস করতে হবে। তিনি বলেন, বিজেপিও প্রস্তত আছে কে কার চামড়া গুটিয়ে নেয় সেটা সময় বলবে।
বিজেপি নেতা স্মরণ করিয়ে দেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে আগেও কুরুচিকর কথা তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেছেন। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সংস্কৃতি, বলেন বিজেপি নেতা।

এদিকে অসিত মজুমদারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সিপিআইএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, যদি এমন বলে থাকেন তাহলে পুলিশের উচিত তাঁকে জিজ্ঞাসা করা। নির্বাচনের আগে এধরনের কথা বলে তৃণমূল অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেছেন, রাজ্য ডিওয়াইএফআই সভানেত্রী।












Click it and Unblock the Notifications