মমতার মিছিলেও সন্দেশখালির মহিলারা! তৃণমূলের মোকাবিলায় শমীকের অস্ত্র CPIM-এর ব্রিগেড ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য
সামনেই লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বর্ষীয়ান তাপস রায়। অন্যদিকে, এদিন তৃণমূলের যোগ দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশ হেঁটেছেন মমতার মিছিলে। বিষয়টিকে গুরুত্বে রাজি নন রাজ্যসভায় বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি এব্যাপারে তুলনা টেনেছেন সিপিআইএমের ব্রিগেডের। তুলনা টেনেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।
রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীর তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে রাজ্যসভার বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, কে কোন কারণে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটে, সেটা মানুষ বোঝে। পরিস্থিতির বাধ্যবাধকতায় ওকে এখন মিছিলে হাঁটতে হচ্ছে। কী কারণে হাঁটতে হচ্ছে, সেটা তিনি (শমীক) বলছেন না। কিন্তু যে পথ দিয়ে হাঁটছে, যাঁদের সঙ্গে হাঁটছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ আগামী ওই লোকসভা আসনে (রানাঘাট) বিজেপি গতবারের থেকে বেশি মার্জিনে জিতবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরের দিন বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীর তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় লোকসভা ভোটের আগে এই দলবদল প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দল ভাঙানোর রাজনীতি বিজেপি করে না। বিজেপি রাজনৈতিক, দল হরিনাম সংকীর্তনের দল নয়। কোনও একজন জাতীয়তাবাদী কর্মী দীর্ঘদিনের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি নিয়ে যদি তৃণমূলের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দল ছাড়েন, তাহলে তিনি বিজেপিতেই যেতে পারেন। কারণ তাঁরা চান একজন শক্ত সমর্থ মানুষ, যাঁর রাজনীতিতে অনেক কিছু দেওয়ার আছে, তাঁর বিজেপিতেই যোগ দেওয়া উচিত।
তাপস রায় ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে আমরা তাকে দলে নেওয়া হয়েছে। এরকম বিষয়টা নয় যে দরজা খোলা আছে, তৃণমূল থেকে লোক না এলে বিজেপির উত্থান সম্ভব নয়। এই নির্বাচনে যদি ব্যক্তির আলোচনা হয় তাহলে একজনই প্রাসঙ্গিক তিনি নরেন্দ্র মোদি। আর সমস্ত প্রার্থীরা অপ্রাসঙ্গিক।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সভায় সন্দেশখালির মহিলারা উপস্থিত ছিলেন, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে সন্দেশখালির মহিলারা ছিলেন। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শাসক দলের মিছিলে কে কীভাবে হাঁটে তা মানুষের জানা।
২০১১ সালে সিপিএম এর ব্রিগেড দেখে কেউ বলতে পারেনি দলটা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাবে এবং বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হেরে যাবেন। অন্তত ব্যক্তি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল না। তিনি পর্যন্ত পরাজিত হবেন এটা কেউ কল্পনা করতে পারেননি।












Click it and Unblock the Notifications