ক্রোয়েশিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে একাধিক বিষয়, নজরে থাকবে মেসির পজিশনও
ক্রোয়েশিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে একাধিক বিষয়, নজরে থাকবে মেসির পজিশনও
বুধবার ভারতীয় সময়ে রাত সাড়ে ১২'টায় বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা এবং ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপের ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করার লক্ষ্যে লুসেইল স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে এই দুই দেশ। আর্জেন্টনা এই ম্যাচে নির্ভর করছে লিওনেল মেসির উপর এবং ক্রোয়েশিয়ার ভরসা লুকা মদ্রিচ।

নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে মেসির ডিফেন্স চেরা পাসের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। যদিও ক্রোয়েশিয়া জানিয়েছে মেসির উপর আলাদা ভাবে কোনও মার্কার তারা রাখবে না। তারা চায় গোটা আর্জেন্টিনা দলকে আটকাতে আলাদাভাবে মেসিকে নয়। আর্জেন্টিনা এই ম্যাচে প্রধানত বাধার সম্মুখীন হবে মাতেও কোভেসিচ এবং মার্সেলো ব্রোজভিচের। কারণ এই দুই ডিফেন্সিভ শিল্ড আর্জেন্টিনার ফাইনালের রাস্তা কঠিন করে তুলতে পারে।
ক্রোয়েশিয়ার সব থেকে বড় অস্ত্র তাঁদের শারীরিক দক্ষতা। রাশিয়াতেও যেই জিনিসটা তাঁদের এতটা দূর পর্যন্ত আসতে সাহায্য করেছিল। ক্রোয়েশিয়া কোনও ব্যক্তি নির্ভর ফুটবল খেলে না এবং তারা চেষ্টা করে টিম গেম খেলার। দলগত ভাবেই নিজেদের সাফল্যের রাস্তা মসৃণ করেন। ক্রোট ফুটবলারদের শারীরিক দক্ষতা লক্ষ্যণীয় শিক্ষনীয়। যে ভাবে তাঁরা ক্রামাগত লড়াই চালিয়ে যায় তা এক কথায় অদম্য। প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচে সেই দলই অ্যাডভান্টেজ পজিশনে থাকবে যেই দল ১২০ মিনিট এবং টাইব্রেকারের পর নিজেদের তরতাজা করে মাঠে ফিরতে পারবে। তবে, ম্যাচ যদি ট্রাই ব্রেকার পর্যন্ত গড়ায় তা হলে দুই দলেরই ভাগ্য নির্ভর করবে কোন দলের গোলরক্ষক বেশি তরতাজা থাকবে তার উপর।
পাশাপাশি এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা অ্যাডভান্টেজ পজিশনে থাকবে ১২তম সদস্যের কারণে। প্রত্যেকেই জানেন ১২তম সদস্য বলা হয় সমর্থকদের। সমর্থকেরাই যে কোনও দলের ১২তম সদস্য। লুসেইল স্টেডিয়ামে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ সেমিফাইনাল ম্যাচে গলা ফাটাবে আর্জেন্টিনার জন্য এতে স্নাযুর চাপ ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে ক্রোয়েশিয়ার জন্য। ক্রোট ফুটবলাররা যদি নিজেদের স্নায়ুর উপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেন তা হলে তাঁদের যা টিমের গঠন তাতে আর্জেন্টিনা ধারে এবং ভারে এগিয়ে থাকলেও ক্রোয়েশিয়া সুবিধা পাবে।
এই ম্যাচ দেখার হবে লিওনেল মেসি কোন পজিশনে খেলেম। মেসি অ্যাটাকিং মিডিও বা শ্যাডো স্ট্রাইকারের ভূমিকায় এখনও পর্যন্ত খেলে আসছেন। মাঝমাঠে নেমে খেলা তৈরি করার দায়িত্ব নিচ্ছেন তেমনই ঠিকানা লেখা পাস বাড়াচ্ছেন। এর ফলে এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত মেসি প্রতি ম্যাচে গোল পেলেও অন্যান্য আর্জেন্টাইন ফুটবলাররাও গোল পাচ্ছেন। তবে, মনে রাখার মতো বিষয় হল বিশ্ব স্তরে প্রতিষ্ঠিত করা ফরোয়ার্ড এই দলে নেই। লাউতারো মার্টিনেজ এবং জুলিয়ান আলভারেজ দলে থাকলেও তাঁরা চাপের মুখে পরীক্ষিত নন। সেক্ষেত্রে মেসি কোন পজিশনে খেলছেন তা অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ হবে।












Click it and Unblock the Notifications