সন্দেশ-সুনীলের গোলে কিরঘিজ-বধ, ত্রিদেশীয় আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ভারত
ত্রিদেশীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে দাপট দেখিয়েই চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। ইম্ফলের খুমান লম্পক স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার তিরিশেক দর্শকের সামনে এদিন ভারত ২-০ গোলে হারাল কিরঘিজকে। বিশ্ব ফুটবলের ক্রমতালিকায় এগিয়ে থাকা দেশের বিরুদ্ধে এই জয় নিশ্চিতভাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। সুনীল ছেত্রী আজ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের ৮৫তম গোলটিও পেয়ে গেলেন।

(ছবি- এআইএফএফ)
ফিফা ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলির জন্য মার্চের ২২ থেকে ২৮ তারিখ অবধি উইন্ডো রেখেছিল। তাতেই এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়। প্রথম ম্যাচে ভারত ১-০ গোলে হারিয়েছিল মায়ানমারকে। এদিন জয়ের ব্যবধান বাড়ল। একটিও গোল হজম না করে টুর্নামেন্টের সব ম্যাচেই জয় পেল ইগর স্টিমাচের প্রশিক্ষণাধীন ভারত।
কিরঘিজ প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৩৪ মিনিটে ভারতকে এগিয়ে দেন সেন্টার ব্যাক সন্দেশ ঝিঙ্গন। ব্র্যান্ডন ফার্নান্ডেজের মাপা ফ্রি কিক থেকে সুযোগসন্ধানী সন্দেশ ক্ষিপ্রতার সঙ্গে বল জালে জড়াতে কোনও ভুল করেননি। গোলকিপার তোকোতায়েভ এরঝান ভেবেছিলেন সন্দেশ বোধ হয় হেড দিয়ে গোল করতে যাবেন। কিন্তু তাঁর ধারণা ভুল ছিল। বল মাটিতে পড়তেই গোলমুখী শট নেন ঝিঙ্গন। এর সুবাদে ভারত প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে।
এই ম্যাচ ড্র করলেই ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেত। কিন্তু আগ্রাসী ফুটবল খেলে ভারত জয়ের সন্ধানে নামবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন ভারতীয় কোচ। দ্বিতীয়ার্ধেও ভারতের একের পর আক্রমণ আছড়ে পড়তে থাকে কিরঘিজের বক্সে। চাপের মুখে ৮৪ মিনিটে নাওরেম মহেশকে বক্সে কিরঘিজ ডিফেন্ডার ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় ভারত। যা থেকে গোল করেন সুনীল ছেত্রী। এটি তাঁর ৮৫তম আন্তর্জাতিক গোল।
দেশের মাটিতে এদিন ভারত টানা পাঁচটি ম্যাচে জয়লাভ করল। মায়ানমার ম্যাচের দলে এদিন ছটি পরিবর্তন করেছিলেন স্টিমাচ। সুনীলের পাশাপাশি লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের কয়েকটি প্রয়াস রুখে দেন কিরঘিজ কিপার। ফলে ভারত যেভাবে খেলেছে তাতে গোলের সংখ্যা বাড়তেই পারতো। ছাংতে টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ভাগাভাগি করে নিতে হয়েছে। ভারতের অনিরুদ্ধ থাপা, সুনীল ছেত্রী ও সন্দেশ ঝিঙ্গন রইলেন সেই তালিকায়। সেরা গোলকিপারের পুরস্কার যুগ্মভাবে পেলেন ভারতের অমরিন্দর সিং ও গুরপ্রীত সিং সান্ধু।












Click it and Unblock the Notifications