Euro 2020: নাটকীয় টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ইউরো ফাইনালে ইতালি

পরপর দুইবার ইতালির কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল স্পেন। টানা ৩৩টি ম্যাচে অপরাজেয় থেকে ইউরো কাপের ফাইনালে চলে গেল মানচিনির ইতালি। ১১ জুলাই ইতালি ইউরো ফাইনাল খেলবে ইংল্যান্ড বা ডেনমার্কের বিরুদ্ধে। ওয়েম্বলিতে প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর চিয়েসার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইতালি। পরিবর্ত হিসেবে মোরাতার গোলে সমতা ফেরায় স্পেন। অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচ ১-১ ছিল। শেষে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জয় পেল ইতালি। ইতালির লোকাতেল্লি পেনাল্টি শুটআউটে প্রথম শট মিস করার পরেই দানি ওলমো বল বাইরে মারেন। এরপর বাকিরা গোল করলেও দলের চতুর্থ শট নিতে গিয়ে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন মোরাতা, যিনি ৮০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ ১-১ করেছিলেন।

নাটকীয় টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ইউরো ফাইনালে ইতালি

এদিনও টাইব্রেকার হল নাটকীয়। টাইব্রেকারে মানুয়েল লোকাতেল্লির প্রথম শটই বাঁচিয়ে দেন স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমোন। এরপর শট নিতে গিয়ে বাইরে মেরে বসেন স্পেনের দানি ওলমো। ইতালির দ্বিতীয় শট নিতে যান বেলোত্তি, তিনি গোল করার পর স্পেনের মোরেনো ১-১ করেন। ইতালির তৃতীয় শটে গোল করেন লিওনার্দো বোনুচ্চি। ইতালি ২-১-এ এগিয়ে যাওয়ার পর থিয়াগোর গোলে ২-২ হয়। ইতালির চতুর্থ শট নেন ফেদেকিকো বের্নারদেস্কি, গোল করে তিনি ইতালিকে ৩-২-এ এগিয়ে দেন। এরপর আলভারো মোরাতার শট রুখে দেন দন্নারুম্মা। ফলে জর্জিনহোর শেষ শট জালে জড়াতেই ইউরোর ফাইনালে চলে যায় ইতালি।

পরপর চার বছরের ইউরোতে নক আউট পর্ব-সহ এই নিয়ে সাতবার ইউরোতে পরস্পরের মুখোমুখি হল স্পেন ও ইতালি। ২০০৮ সালে ইতালিকে হারানোর পর ২০১২ সালের ফাইনালেও জিতেছিল স্পেন। গত বছর আবার স্পেন ইউরো থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইতালির কাছেই পরাস্ত হয়েই। এই ম্যাচের আগে অবধি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে দুই দলের শেষ ১৪টি সাক্ষাতে মাত্র দু-বার ইতালি জয়ের মুখ দেখে। সাতটি ড্র হয় ও পাঁচটি ম্যাচ ইতালি হারে স্পেনের কাছে। ২০১১ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলিতে স্পেনকে হারানোর পর শেষ জয় ছিল ২০১৬ সালের রাউন্ড অব সিক্সটিনে। এদিনের ম্যাচের নব্বই মিনিটই টানটান ফুটবল খেলে দুই দল। বলের দখল নেওয়ায় স্পেন অনেক এগিয়ে ছিল। সুযোগ তৈরি করার নিরিখেও প্রথমার্ধে স্পেনই এগিয়ে ছিল। তবে দুই দলের গোলকিপারদেরই ৯০ মিনিট বা অতিরিক্ত সময়ে খুব বেশি সেভ করতে হয়নি। ওলমোর শট রুখে দিয়েছিলেন দন্নারুম্মা। এমার্সনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একটি করে গোল করে। কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠে ইতালি, ইম্মোবিলে ও ফেদেরিকো চিয়েসার যুগলবন্দিতে এগিয়ে যায় ইতালি। স্পেন রক্ষণের ফাঁকফোকড় কাজে লাগিয়ে ইম্মোবিলের অ্যাসিস্টে দারুণ শটে গোল করেন চিয়েসা।

যদিও ৮০ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান আলভারো মোরাতা, যিনি এদিন লুইস এনরিকের প্রথম একাদশে ছিলেন না। ফেরান তোরেসের পরিবর্ত হিসেবে তিনি নেমেছিলেন ৬২ মিনিটে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ থাকার পর অতিরিক্ত সময়েও ফলাফল পরিবর্তন না হওয়ায় খেলার ফয়সালা হয় পেনাল্টি শুটআউটে। অতিরিক্ত সময়ে অফসাইডের ফাঁদে জড়ানোয় বেরার্দির গোল বাতিল হয়। স্পেনও গোলের সুযোগ পেয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। ওলমোর ফ্রি কিক অনবদ্য দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন দন্নারুম্মা। শেষে টাইব্রেকারে জিতে ফাইনালের টিকিট হাতে পেয়ে গেল ইতালি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+