আইএসএল পথ দেখাবে অন্যদের, দরাজ সার্টিফিকেট সৌরভের
সফলভাবে সপ্তম আইএসএল আয়োজন করায় সংগঠকদের দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই যেভাবে জৈব সুরক্ষা বলয়-সহ ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফদের সুরক্ষার সবরকম বন্দোবস্ত করে এবার গোয়ায় পুরো আইএসএল আয়োজিত হলো তা দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে এক নয়া মাপকাঠি স্থির করল বলেই মত তাঁর।

বিসিসিআই সভাপতি আবার এটিকে মোহনবাগানের অন্যতম কর্ণধার। সৌরভ বলেন, যেভাবে এবার আইএসএল দেশের মাটিতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলো তার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে এই বার্তা গেল যে কয়েক মাস ধরে বড়ো মাপের টুর্নামেন্ট কঠিন পরিস্থিতিতেও আয়োজনের ক্ষমতা আছে ভারতের। এই ঘটনা অন্যান্য ক্রীড়াক্ষেত্রগুলিকেও অনুপ্রাণিত করবে সূচি মেনে পুরোদমে সব কিছু শুরু করার জন্য। কঠিন সময়ে এবারের আইএসএল আয়োজন দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রেও এক নতুন মাপকাঠি স্থির করে দিল।
আইএসএল আয়োজন করে থাকে নীতা আম্বানির ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। করোনা পরিস্থিতিতে আইএসএল আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল গোয়াকে। ফতোরদা, জিএমসি-র ব্যাম্বোলিম ও তিলক ময়দানে হয়েছে ম্যাচগুলি। স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন দলের অনুশীলনের মাঠের পরিকাঠামো তৈরিতেও ২০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে এফএসডিএল। খেলা হয়েছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। করোনার কারণে অনেক দেশে টুর্নামেন্ট যখন মাঝপথে থমকে গিয়েছে, তেমন কিছুই হয়নি আইএসএলে। ১৪টি হোটেলে ১৮টি বায়ো বাবল বা জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরিতে অতিরিক্ত ১৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এফএসডিএলের। ১৬০০ জন আইএসএলের সঙ্গে এবার যুক্ত ছিলেন, প্রায় ৭০ হাজার আরটি-পিসিআর টেস্ট হয়েছে। ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল আইএসএল। সৌরভ বলেন, প্রাথমিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও দারুণভাবে সব কিছু সামলেছেন আয়োজকরা। অন্তত গত ৬ মাস পিছনে ফিরে তাকালে ঘটনা পরম্পরা দেখে তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলতেই হবে দারুণ কাজ হয়েছে।
গতবারের তুলনায় এবার আইএসএলে ২০টি ম্যাচ বেড়েছে। দল ছিল ১১টি। ১১৫টি ম্যাচে গোল হয়েছে ২৯৮টি। এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। তারা এর আগে লিগশীর্ষে থেকে এবারের উইনার্স শিল্ডটিও পেয়েছে। এফএসডিএল চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানির কথায়, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আমাদের জীবনে ফুটবলকে যুক্ত করার এই সফল প্রয়াস আমাদের সাহস, প্রত্যয় অনেকটাই বাড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications