ঘরের মাঠে এশিয়ার সেরা হওয়ার লড়াইয়ে নামবে ভারত, দেখে নিন ‘দ্য ব্লু টাইগ্রেস’ সহ অন্যান্য দলের পরিসংখ্যান
AFC Women’s Asian Cup: ঘরের মাঠে এশিয়ার সেরা হওয়ার লড়াইয়ে নামবে ভারত, দেখে নিন ‘দ্য ব্লু টাইগ্রেস’ সহ অন্যান্য দলের পরিসংখ্যান
নতুন বছরের শুরুতেই এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে ঘরের মাঠে নামছে ভারত। এশিয়ায় মহিলা ফুটবলের সর্বোচ্চ খেতাব জয়ের লড়াই ভারতের সহ এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেবে আরও এগারোটি দল। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্ট্রেলিয়া, চিন, ইরান জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া। ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা এই প্রতিযোগীতা চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভারতের তিনটি শহরে মুম্বই, নভি মুম্বই এবং পুণে- এই তিনটি শহরে হবে এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপ ২০২২। মহিলা ফুটবলের মেগা ইভেন্টের আগে এক ঝলকে দেখে নিন অংশগ্রহকারী প্রতিটা দলের হালহকিকত।

ভারত:
র্যা ঙ্কিং: ৫৭ (ফিফা), ১১ (এএফসি)
মোট আটবার ভারতীয় মহিলা দল এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে অংশ নিয়েছে। ১৯৭৯ সালে প্রথমবার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় ভারত। শেষবার এই প্রতিযোগীতায় ভারতীয় দল অংশ নিয়েছিল ২০০৩ সালে। ১৯৭৯ এবং ১৯৮৩ সালে মহিলা এশিয়ান কাপে এই লড়াইয়ে রানার্স হিসেবে শেষ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু শেষ ১৯ বছর এই টুর্নামেন্টের যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয় ভারতের মেয়ে'রা। এই বছর প্রতিযোগীতার আয়োজক দেশ হিসেবে খেলবে ভারতীয় দল। ১৯৭৯ সালে প্রথমবার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল ভারত।

জাপান:
র্যা ঙ্কিং: ১৩ (ফিফা), ৩ (এএফসি)
অতীতে মোট ১৬ বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে এশিয়া ফুটবলের এই পাওয়ার হাউস। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে দু'বার এই ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন জাপানের মেয়েরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন দল ১৯৭৭ সালে প্রথমবার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়া:
র্যা ঙ্কিং: ১১ (ফিফা), ২ (এএফসি)
পাঁচ বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমবার এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে অস্ট্রেলিয়া অংশ নেয় ২০০৬ সালে। এর পর থেকে নিয়মিত ভাবে এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দল। ২০১০ সালে দ্বিতীয়বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।

চিন
র্যা ঙ্কিং: ১৭ (ফিফা), ৪ (এএফসি)
মোট ১৪ বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে চিন। ১৯৮৬ সালে প্রথমবার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল চিন। এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপের সফলতম দল তারা। মোট আট বার এই খেতাব ঘরে তুলেছে চিনা মহিলা দল। শেষ বার ২০০৬ সালে এই খেতাব জিতেছিল চিন। ২০১৮ সালে তৃতীয় স্থানে শেষ করেছিল চিন।

চাইনিজ তাইপে:
র্যা ঙ্কিং: ৪০ (ফিফা), ৮ (এএফসি)
গ্রুপ-'এ'-এর বিজয়ী দল হিসেবে প্রতিযোগীতায় যোগ্যতা অর্জন করেছে চাইনিজ তাইপে। মোট ১৪ বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে চাইনিজ তাইপে। ১৯৭৭ সালে প্রথমবার চাইনিজ তাইপে এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তারা এই প্রতিযোগীতায় শেষ বার অংশ নিয়েছিল ২০০৮ সালে। ১৯৭৭, ১৯৭৯ এবং ১৯৮১ সালে পর পর তিন বার জিতেছিল চাইনিজ তাইপে।

ভিয়েতনাম:
র্যা ঙ্কিং: ৩২ (ফিফা), ৬ (এএফসি)
গ্রুপ-'বি'-এর বিজয়ী দল হিসেবে প্রতিযোগীতায় জায়গা করে নিয়েছে ভিয়েতনাম। ১৯৯৯ সালে প্রথমবার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় ভিয়েতনামের মহিলা দল। ২০১৪ সালে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করে ভিয়েতনাম। এটাই এই টুর্নামেন্টে তাদের সেরা ফল।

ইন্দোনেশিয়া
র্যা ঙ্কিং: ৯৬ (ফিফা), ১৯ (এএফসি)
মোট চার বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। ১৯৭৭, ১৯৮১, ১৯৮৬ এবং ১৯৯১ সালে এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। ১৯৭৭ এবং ১৯৮৬ সালে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিল তারা। এই প্রতিযোগীতায় এটাই তাদের সেরা ফলাফল।

মায়ানমার:
র্যা ঙ্কিং: ৪৬ (ফিফা), ১০ (এএফসি)
গ্রুপ 'ডি'-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে মায়ানমার। প্রতিবেশী এই রাষ্ট্র মোটা চার বা (২০০৩, ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪) এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। গ্রুপ পর্যায়ের থেকে বেশি দূর এগতে পারেনি তারা।

ফিলিপিনস:
র্যা ঙ্কিং: ৬৮ (ফিফা), ১৩ (এএফসি)
গ্রুপ-'এফ'-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেবে ফিলিপিনস। মোট নয় বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছে ফিলিপিনস। গত বার ২০১৮ সালে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেছিল ফিলিপিনস-এর মহিলা দল। এটাই এখনও পর্যন্ত এই প্রতিযোগীতায় তাদের সেরা পারফরম্যান্স। ১৯৮১ সালে প্রথমবার এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে খেলেছিল ফিলিপিনস।

ইরান:
র্যা ঙ্কিং: ৭২ (ফিফা), ১৪ (এএফসি)
গ্রুপ 'জি'-এর বিজয়ী দল হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। এটাই এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে তাদের প্রথম আবির্ভাব। ২০১৪ সালে জর্ডানের পর নতুন দল হিসেবে এই প্রতিযোগীতায় যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরানের মহিলা টিম।

থাইল্যান্ড:
র্যা ঙ্কিং: ৩৯ (ফিফা), ৭ (এএফসি)
গ্রুপ-'এইচ'-এর চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেছে থাইল্যান্ড। মোট ১৬ বার এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে থাইল্যান্ডের মহিলা দল। ১৯৭৫ সালে প্রথম বার এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিল থাইল্যান্ড। ১৯৮৩ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল থাইল্যান্ড। ২০১৮ সালে শেষ বারও তাদের পারফরম্যান্স খুব খারাপ ছিল না।












Click it and Unblock the Notifications