Euro Cup 2024: ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামেই ইতিহাস সৃষ্টির অপেক্ষা, ইউরো ফাইনালের ভেন্যুর সঙ্গে জড়িয়ে হিটলারও
বার্লিনে রবিবার রাতে ইউরো কাপে ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে স্পেন। ম্যাচটি হবে বার্লিনের অলিম্পিস্টাডিয়ন স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ হবে, জার্মানির ইতিহাসের সঙ্গে প্রবল ভাবে জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যমণ্ডিত এই স্টেডিয়াম। এমনকি স্টেডিয়ামের সঙ্গে সর্বতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন অ্যাডলফ হিটলারের নামও। ঐতিহ্যের এই স্টেডিয়ামেই ইতিহাস সৃষ্টির হাতছানি স্পেন-ইংল্যান্ড দলের কাছে।
১৯৩৬ সালের অলিম্পিক্স গেমসের জন্য নির্মিত হয় এই স্টেডিয়াম।, বার্লিনের অলিম্পিস্টাডিয়ন এখনও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দাগ বহন করে এবং এর নাৎসি অতীতের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এক লক্ষ দর্শকাসন সম্পন্ন এই স্টেডিয়াম তৈরিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। তিনি নিজেই স্টেডিয়ামের নকশা তৈরিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন নাৎসি নেতা।

১৯৩৬ সালে তৈরি স্টেডিয়ামে এখনও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষত একটু খুঁজলে সহজেই পাওয়া যাবে। । স্টেডিয়ামের নকশা অনেকটা রোমের কলসিয়ামের মতোই। রোমের কলোসিয়াম থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে, স্টেডিয়ামটিকে মুগ্ধ করার জন্য নক্সা করা হয়েছিল। মূল প্রবেশপথের সামনের অলিম্পিক স্কোয়ারটি ক্ষীণ, দুই পাশে পতাকা ও গাছের রেখা দৃষ্টিভঙ্গির অনুভূতিকে বাড়িয়ে তোলে। ধারণাটি ছিল নাটকীয় প্রভাব বাড়ানো, দর্শকদের প্রত্যাশা বাড়ানো এবং তাদের ইভেন্টের অংশ অনুভব করা।
১ আগস্ট, ১৯৩৬ সালে শুরু হওয়া গেমসের জন্য সময়মতো প্রস্তুত হওয়ার জন্য এক পর্যায়ে ২৬০০ জন শ্রমিক রাইখ স্পোর্টস ফিল্ডে কাজ করেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হিটলার সৃষ্ট বিভিন্ন সৌধ যেমন ভেঙে করে দেওয়া হয়েছে, তেমন বার্লিন স্টেডিয়ামও গুঁড়িয়ে দিতে পারতেন জার্মানরা। কিন্তু জার্মানরা হিটালারের তৈরি স্টেডিয়ামকে অক্ষত রাখেন।
ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামেই ফের একবার নয়া ইতিহাস লেখা হবে। চতুর্থ খেতাব জিতে এককভাবে ইউরোর ইতিহাসের সর্বকালের সফলতম দল হবে স্পেন, নয়তো নিজেদের দেশের বাইরে প্রথমবার কোনও বড় টুর্নামেন্ট জিতবে ইংল্যান্ড। ১৯৬৬ সালের পর আজ পর্যন্ত কখনও ফুটবলের বড় টুর্নামেন্ট জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ। ইউরো। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে ইংরেজদের এক এবং একমাত্র প্রাপ্তি ১৯৬৬ বিশ্বকাপ।
২০২১ সালের ইউরো কাপের ফাইনালে উঠলেও ইআতলির কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল ইংল্যান্ড শিবিরকে। এবার অধরা খেতাব জয়ের লক্ষ্যে নামছে ইংরেজরা।সোনার বুটের লড়াইয়ের থেকেও ব্রিটশ অধিনায়ক হ্যারি কেন জোর দিয়েছেন ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি অর্জনের উপর। ইউরোপীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের তাজ আগামী চার বছর কোন দলের মাথায় থাকবে? উত্তর মিলবে আজ রাতেই।












Click it and Unblock the Notifications