Santosh Trophy: সন্তোষ ট্রফি জেতা বাংলা দলকে ৫০ লক্ষ টাকা দিল রাজ্য সরকার, ফুটবলারদের চাকরির আশ্বাস মমতার

Santosh Trophy: সন্তোষ ট্রফি জিতে গতকালই শহরে ফিরেছে সঞ্জয় সেনের প্রশিক্ষণাধীন বাংলা দল। আজ নবান্ন সভাঘরে ভারত-সেরা বাংলা দলকে সংবর্ধিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১৬-১৭ মরশুমের পর ফের বাংলা সন্তোষ ট্রফি জেতায় উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় এদিন ফের কল্পতরু।

Santosh Trophy

আজ সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেই হাজির ছিলেন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ডিজি রাজীব কুমার-সহ প্রশাসনিক কর্তারা। আইএফএ-র পদাধিকারীরাও উপস্থিত ছিলেন। ফুটবলার, কোচিং স্টাফদের সকলের হাতে তুলে দেওয়া হয় ব্লেজার।

এ ছাড়া রাজ্য সরকারের তরফে সন্তোষ ট্রফিজয়ী বাংলা দলকে পুরস্কার বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে তাঁকে সংবর্ধিত করেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সঞ্জয় সেনের কোচিংয়ে অনেকদিন পর বাংলা ভারত-সেরা হয়েছে। সন্তোষ ট্রফিতে যোগদান করে যে ছেলেরা এই কীর্তি স্থাপন করেছেন তাঁরাই ভালো ট্রেনিং, কোচিং, খাওয়া-দাওয়া পেলে আরও সাফল্য এনে দিতে পারবেন। এই ছেলেরা একদিন বিশ্বকাপ খেলবেন বলেও আমার বিশ্বাস।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা দলের ফুটবলারদের প্রাণশক্তি, সাহসিকতা ও আন্তরকিতার প্রশংসা করে বলেন, এঁদের বেশিরভাগই গ্রাম বাংলার। পিছুটান কম। তবে পরিবারের আর্থিক বিষয়ক চিন্তা দূরে রেখে খেলায় মনোনিবেশের জন্য চাকরির দরকার।

এরপরই ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, বাংলাকে সাফল্য এনে দেওয়া ফুটবলারদের ক্রীড়া দফতরে চাকরির ব্যবস্থা করতে। রোজ অফিস যেতে হবে না। খেলাধুলো তাঁরা যাতে চালিয়ে যেতে পারেন সেজন্য বিশেষ বন্দোবস্ত থাকবে। তাঁরা যেখানে ট্রেনিং নেবেন বা খেলবেন সেটাকেই হাজিরা বলে ধরতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, কর্মসংস্থান না করা হলে এই ফুটবলাররা পরিবারের কথা চিন্তা করে নিজেদের সেরাটা দিতে পারবেন না। এঁরা বাংলার গর্ব, দেশের গর্ব। চিন্তামুক্ত হয়ে খেলা চালিয়ে গেলে আগামী দিনে আরও সাফল্য আসবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি কেন্দ্রে ক্রীড়ামন্ত্রী থাকাকালীন স্পোর্টস স্কুল চালুর উপর জোর দিয়েছিলেন। রাজ্য সরকারের ৮টি আকাদেমি ইতিমধ্যেই চলছে। তিরন্দাজির আকাদেমির এক শিক্ষার্থী জাতীয় স্তরে সোনা পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, এই আকাদেমিগুলি থেকেও ভবিষ্যতে অলিম্পিয়ান উঠে আসবেন।

উল্লেখ্য, গতকালই ফেসবুকে প্রাক্তন ফুটবলার দেবজিৎ ঘোষ বলেছিলেন, বাংলার ফুটবলারদের চাকরির বন্দোবস্ত করতে হবে। নাহলে তাঁরা খেপ খেলতে ব্যস্ত হয়ে যাবেন। ফলে ফের বাংলার ফুটবল নিয়ে আক্ষেপ করতে হবে। একইসঙ্গে বাংলার যে তিন প্রধান আইএসএলে খেলছে সেই দলগুলিতেও সন্তোষ জেতা বাংলা দলের ফুটবলারদের নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন দেবজিৎ।

দেবজিতের কথায়, এজেন্ট প্রথা এসে ফুটবলের সর্বনাশ হয়েছে। বাংলার গরিব ঘরের ছেলেদের এজেন্ট রাখা সম্ভব নয়। ক্লাবকর্তাদের উচিত আগের মতো ঘরোয়া ফুটবলে সাফল্য পাওয়া প্লেয়ারদের ক্লাবে সই করানো। আইএসএলে ১০ লক্ষ টাকায় সই করলেও তাঁদের চিন্তা কমবে। এমনিতেই আগের চেয়ে খেলাধুলো করে সরকারি চাকরি পাওয়ার সুযোগ কমেছে।

সেই সঙ্গে সঞ্জয় সেনকে আইএসএলের কোচ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন দেবজিৎ। তিনি বলেন, মহমেডান স্পোর্টিংয়ে যা অবস্থা তাতে সঞ্জয় সেন থাকলে ভালোই হতো।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+