AIFF: কে হবেন স্টিমাচের উত্তরসূরি? দেশীয় কোচের দৌড়ে এগিয়ে কারা? রইল বিস্তারিত আপডেট
গত কয়েক সপ্তাহ আগেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী। ভারতের সর্বোচ্চ গোলদাতা সুনীল ছেত্রী অবসর নেওয়ার কয়েকদিন পরেই ছাঁটাই করা হল জাতীয় দলের কোচ ইগর স্টিমাচকে। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের তৃতীয় রাউন্ড দলকে তুলতে পারেননি। তার দায়িত্বে শেষ ১২ ম্যাচে নয়টি হার এবং দুটি ড্র করেছে ভারত। সোমবার সন্ধ্যায় ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল ভারতীয় ফুটবলে স্টিমাচ যুগের অবসান হচ্ছে।
২০১৯ সালের ১৫ মে ভারতের কোচ হয়েছিলেন স্টিমাচ। এরপর ভারতের ফিফা ক্রম তালিকায় ক্রমশ পিছিয়ে যায়। এরমধ্যে একবারই উন্নতি করে প্রথম একশোর মধ্যে বেশ করেছিল। এশিয়ান কাপে যেমন ভারত ভালো খেলতে পারেনি তেমন ২০২৬ বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বেও দল ব্যর্থ হয়। যদিও ভারতের কোচ হিসেবে ১২ ম্যাচ টানা জয়ের রেকর্ডও রয়েছে স্টিমাচের দখলে। স্টিমাচের বিদায়ের পর প্রশ্ন উঠছে কে হবেন ভারতীয় দলের পরবর্তী কোচ? ফের বিদেশি কোচকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে নাকি দেশীয় কোচের উপর ভরসা রাখবে ফেডারেশন?

ফুটবল ফেডারেশনের বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার সময়, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতীয় ফুটবলের অবিশ্বাস্য উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পুরুষদের দলকে এশিয়ায় ফিফা ক্রম তালিকার শীর্ষ ১০-এ প্রবেশ করাতে সক্ষম হবেন এমন কাউকে দায়িত্ব দিতে চাইবেন কর্তারা। স্টিমাচের বিদায়ের স্থানীয় কোচ নিয়োগ নিয়েই দাবি উঠেছে।
জাপান এবং ইংল্যান্ড দলের এই ক্ষেত্রে বড় উদাহরণ হয়েছে, উভয়ই বিদেশী কোচের অধীনে বিপর্যস্ত হওয়ার পরে তাদের নিজস্ব দেশীয় কোচদের দায়িত্ব দেয়। ভারতীয় ফুটবল দলের দেশীয় কোচ হিসাবে কারা রয়েছেন তালিকায়?
একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রথমেই নাম আছে মহেশ গাউলির। প্রাক্তন ফুটবলার ২০২২ সাল থেকে জাতীয় দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এবং বর্তমান স্কোয়াডকে সত্যিই ভালভাবে জানেন।গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর অধীনে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলে ভারত, স্টিম্যাচ সাসপেনশনের কারণে ছিলেন না, গাউলির কোচিংয়েই ভারত সেমিফাইনালে এবং ফাইনালে লেবানন এবং কুয়েতকে পরাজিত করেছিল।
দ্বিতীয় নাম খালিদ জামিল। ভারতীয় ফুটবলে দীর্ঘদি ধরে কোচিং করাচ্ছেন আই লিগ থেকে আইএসএল সব লিগেই কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে। ২৮২ ম্যাচে কোচিং করিয়ে ১০৪ ম্যাচ জিতেছেন ৯১ ম্যাচ হেরেছেন। তালিকায় আছেন ক্লিফোর্ড মিরান্ডা। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচ ছিলেন। এছাড়া আইএসএলে এফসি গোয়া, মোহনবাগান এসজি দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।এই তালিকায় প্রাক্তন দুই ফুটবলার রেনেডি সিং, গৌরমাঙ্গি সিংয়ের নাম আছে। রেনেডি এর আগে ইস্টবেঙ্গলের কোচিং স্টাফ পদে ছিলেন।
এআইএফএফ সোমবার সন্ধ্যায় অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলেছে।"সিনিয়র পুরুষদের জাতীয় দলের ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর যোগ্যতা প্রচারের হতাশাজনক ফলাফলের কথা উল্লেখ করে, সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে সম্মত হয়েছেন যে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন নতুন প্রধান কোচকে সর্বোত্তম স্থান দেওয়া হবে,"












Click it and Unblock the Notifications