Independence Day: ৪৭-এ নয়! ১৯০৬ সালে উড়েছিল ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকা, কোথায় জানেন?
আজাদি কে অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি পালন করছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাধীনতা দিবসের দিন সকলের ঘরে ঘরে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ানোই লক্ষ্য দেশবাসীর। কিন্তু দেশের এই জাতীয় পতাকা নিয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। একবারে নয়, বরং বারবার বদলেছে এর রং আর রূপ।
তবে অনেকেই মনে করেন ভারতের জাতীয় পতাকা প্রথম বার উড়েছিল ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময়। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। এর অনেক আগে ১৯০৫ সালে প্রথম ওঠে দেশের পতাকা। আর তা অন্য কোথাও নয়, খোদ কলকাতার বুকে।

বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন ও পতাকা
সালটা ছিল ১৯০৫, সে বছর ১৬ অক্টোবরে তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকারের বড়লাট লর্ড কার্জনের আদেশে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়। বঙ্গ প্রদেশের আয়তন ছিল ১,৮৯,০০০ বর্গ মাইল। তাকেই দুটি ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয় ক্রুঢ় ব্রিটিশরা। ফল স্বরূপ আন্দোলন ও প্রতিবাদের আগ্নেয়গিরি ফেটে পরে বাংলার বুকে।
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর 'দি বেঙ্গলি' পত্রিকার সম্পাদকীয়তে এই ঘটনাকে বলেছিলেন 'একটি ভয়ঙ্কর জাতীয় দুর্যোগ'. বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। পালিত হয় ঐতিহাসিক রাখি বন্ধন উৎসব। অত্যাচারী ব্রিটিশদের ডিভাইড এন্ড রুল নীতিকে কার্যত ধুলোয় মিশিয়ে দেন বাংলার মানুষ। আর দেশের প্রথম পতাকার উৎপত্তি সেই প্রেক্ষাপটেই।
দ্য ক্যালকাটা ফ্ল্যাগ
বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধ করতে কলকাতার অনুশীলন, যুগান্তর দলের ভেতর থেকেই আওয়াজ উঠল, তৈরি করা হোক জাতীয় পতাকা। অরবিন্দ ঘোষ উদ্যোগ নিলেন গোটা বিষয়ের। নকশা তৈরির দায়িত্ব নিলেন শচীন্দ্র প্রসাদ বসু। এই পুরো কাজটাই হচ্ছিল কলকাতার পার্সিবাগান অঞ্চলে। শেষ পর্যন্ত তৈরি হল পতাকা।
সবার কাছে তখন ফরাসি বিপ্লব জ্বলন্ত উদাহরণ। ফ্রান্সের পতাকার অনুসরণেই ত্রিবর্ণরঞ্জিত হয় সেই পতাকা। ১৯০৬ সালের ৭ অগাস্ট, পার্সিবাগান অঞ্চলেই গ্রিয়ার পার্কে যা বর্তমানে গিরিশ পার্ক নাম পরিচিত, সেখানেই প্রথমবার এই পতাকা উত্তোলন হয়। পতাকাটির নামই হয়ে যায় 'দ্য ক্যালকাটা ফ্ল্যাগ’। ধরা হয় এটিই প্রথম জাতীয় পতাকা।

জাতীয় পতাকার বিবর্তন
ক্যালকাটা ফ্ল্যাগের রূপ ছিল তিনটি রং বিশিষ্ট। একদম ওপরে ছিল সবুজ, তারপর হলুদ আর নিচে লাল। ওপরে আটটি পদ্মফুল, আর নিচের লাল অংশের একদিকে সূর্য; অন্যদিকে একফালি চাঁদ। সব ধর্মের মিলন বোঝাতেই এই চিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল। আর মাঝের হলুদ অংশে, দেবনাগরী হরফে লেখা 'বন্দে মাতরম’।
এরপর ১৯৩০এর দশকেও তৈরী হয়েছিল জাতীয় পতাকা। যেখানে তিনটি রং বর্তমান রেখে কমলা, সাদা সবুজ করা হয়, এবং মাঝে বসানো হয় চরকা। পরবর্তীকালে মাঝের চরকা উঠে সেখানে স্থান নেয় চক্র। এবং সব শেষে রূপ পায় এখনকার পতাকা অর্থাৎ মাঝে অশোক চক্রের।
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications