বাৎ শরিক, মধ্যমগ্রাম গণধর্ষণের যন্ত্রণা

মেয়েটা মাত্র ষোল বছরের, বাড়ি মধ্যমগ্রাম -
মুদ্রাস্ফীতি, তবুও এদেরই সবচেয়ে কম দাম।
সে এবং তার মত আর যারা বেড়ে উঠছে গোকুলে,
পথ চলা বড় কষ্ট তাদের, কে কোথায় নেবে তুলে!
কাগজে লিখছে পৃথিবী খুলছে, ওরা দেখে বন্ধ -
আকাশে উড়ছে চিল শকুনেরা, কখন মারবে ছোঁ।
ওদের কোথাও যাবার আছে কি? আশ্রয় আছে আইনে?
শেয়ালে শকুনে ফের ঠোকরায়, ফেলে রাখে রেললাইনে।
তুলসীপ্রদীপ জ্বালার আগেই ছেড়ে যেতে হয় গাঁ,
এ দেহটা ওরা ছুঁয়ে দিয়েছে যে, এ দেহে হাজার ঘা!
এ পাড়াতে থ্রেট, অপমান, খোঁজো অন্য আর এক কলোনি -
দূষিত বাতাস সেখানেও ছোটে, বলে, এসব তো বলো নি!
তাকে নিয়ে ফের কাটাছেঁড়া করে পাড়ার টাইমকল;
বাড়িওলা বলে, এই মেয়েদের রাখা যায় নাকি, বল!
কোথায় যাবে সে, কোনখানে মেলে এতটুকু আশ্রয়?
শেয়াল-শকুন, নাকি প্রতিবেশী, কোনটাকে কম ভয়?
কী ভুল করেছে, এ বিষ ছড়ানো, এ সব কাদের পাপ?
আগুনও এদের চেয়ে আরও বেশি ছাড়ে নাকি উত্তাপ!
মেয়েটা মাত্র ষোল বছরের, বাড়ি মধ্যমগ্রাম,
নতুন বছর দেখতে পেলো না, মুছে গেল তার নাম।












Click it and Unblock the Notifications