Medinipur Saline Case: গাফিলতি মেনে স্যালাইনকাণ্ডে CID তদন্তের নির্দেশ রাজ্যের, আপাতত নিষিদ্ধ রিঙ্গার ল্যাকটেট
Medinipur Saline Case: স্যালাইনকাণ্ডে গাফিলতি মেনে নিল রাজ্য। এবিষয়ে সিআইডি তদন্তের (CID Investigation) নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্য সরকারের তরফে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ (Manoj Pant)।
বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট (Investigation Report) আসার পর যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যসচিবের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব (Health Secretary) নারায়ণ স্বরূপ নিগমও।

এদিকে, স্যালাইনকাণ্ডে স্বাস্থ্যভবনে চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ হয়েছে সোমবার। রিপোর্ট পেশ করেছে ১৩ সদস্যের স্বাস্থ্য দফতরের তদন্ত কমিটি। রাসায়নিক ত্রুটি নাকি মনুষ্যসৃষ্ট ত্রুটি, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। অপারেশনের দিন কারা হাসপাতালে ছিলেন, ওটিতে কে ছিলেন, সার্জারি বা অ্যানাস্থেসিয়া কারা করেছিল, কী কী ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছিল, সেসব সংক্রান্ত বিশদ রিপোর্ট স্বাস্থ্যসচিবকে দেওয়া হয় এদিন। তবে ড্রাগ টেস্টিং ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসা বাকি রয়েছে।
এদিন সিআইডি তদন্তের নির্দেশের পাশাপাশি কড়া বার্তা মুখ্যসচিবের। কোনও অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানান মনোজ পন্থ। তাঁর কথায়. সিরিয়াস নেগলিজেন্স অর্থাৎ গুরুতর অবহেলা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায়।
মনোজ পন্থ বলেন, ট্রেনি চিকিৎসকরা অপারেশনের কাজে যুক্ত ছিলেন, সেটা হওয়ার কথা নয়। সিনিয়র চিকিৎসকদের থাকা উচিত ছিল। স্যালাইন দেওয়ার আগে প্রসূতিদের থেকে মুচলেকা কেন নেওয়া হয়েছিল, তাও তদন্তের আওতায় থাকছে বলে জানান মনোজ পন্থ।
তদন্ত কমিটির সদস্য চিকিৎসক সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রসূতিকে অজ্ঞান করা হয়নি। স্পাইনাল অ্যানাস্থেশিয়া করা হয়েছে। যে ওষুধের প্রয়োগে তা করা হয়, তাতে বিরাট কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। হিমোগ্লোবিন বা কিডনি সংক্রমণ বিশেষ হয় না।
তাই সন্দেহের তালিকায় অ্যানাস্থেটিক এজেন্টকে রাখা হচ্ছে না। কিন্তু অক্সিটোসিনের ব্যবহার ঠিকমতো হয়েছে কিনা তা বিবেচনা করা হবে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হলে বিশদে বোঝা যাবে। একই রাতে ৫টি ঘটনা কীভাবে ঘটল, হিউম্যান এররও খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে, রিঙ্গার ল্যাকটেটের ব্যবহার আপাতত নিষিদ্ধ করল স্বাস্থ্য দফতর। স্যালাইনের গুনগত মান যাচাই না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। আলাদা করে বিজ্ঞপ্তি জারি না হলেও সমস্ত হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজের সুপার, প্রিন্সিপালদের এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যভবনের তরফে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আপাতত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications