বাবার মৃত্যু, চোখের জলে নতুন শপথ! দাদাকে প্রতিজ্ঞায় কী বলেছিলেন, রহস্য ভাঙলেন কোহলি
বাবার মৃত্যুর পর পরিবারকে কথা দিয়েছিলেন, বাবার স্বপ্ন পূরণ করে দেশের জার্সিতে ক্রিকেট খেলবেন। আজ সেই স্বপ্ন শুধু পূরণই হয়নি, বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিরাট।
বাবার মৃত্যুর পর পরিবারকে কথা দিয়েছিলেন, বাবার স্বপ্ন পূরণ করে দেশের জার্সিতে ক্রিকেট খেলবেন।
আজ সেই স্বপ্ন শুধু পূরণই হয়নি, বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিরাট। ক্রিকেট পণ্ডিতরা যাকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে আগামী দিনে বিরাটের ব্যাটের সামনে আর কোনও রেকর্ডই অক্ষত থাকবে না!

কীভাবে পাল্টালেন বিরাট
সম্প্রতি এই সাক্ষাৎকারে বিরাট বলেছেন, '১৮ বছর বয়সে বাবাকে হারাই। সেই ঘটনাই মনকে ইস্পাত কঠিন করে দিয়েছিল। এরপর শুধুই ক্রিকেট আর বাবার স্বপ্ন চোখের সামনে ভাসত। বাবা আমাকে ক্রিকেটার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। আমার পরিবার ও বাবার এই স্বপ্নকে তাড়া করে গিয়েছি।' সঙ্গে বিরাট আরও জুড়েছেন, 'বাবার মৃত্যুর পর দাদার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলব। '
চোখের জল থেকে নতুন শপথ
স্মৃতিচারণায় কোহলি বলেছেন, 'বাবার মৃত্যুর দিনের পরের সকালে ব্যাটিং করার কথা ছিল। আগের দিন দিল্লি দলের হয়ে রঞ্জি ম্যাচে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে ৪০ রানে অপরাজিত ছিলাম। কোচকে বাবার মৃত্যুর খবর জানাই। কোচ পরিবারের পাশে থাকতে বললেও সেদিন মাঠে নেমে দলের হয়ে ব্যাট করেছিলাম। পরে বাবার সৎকার করি। আক্ষরিক অর্থেই বাবাকে চোখের সামনে মারা যেতে দেখেছিলাম। অসুস্থ হওয়ার হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁকে বাঁচানো যায়নি। ব্যাটিংয়ের পরে ড্রেসিংরুমে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম। এরপর চোখের জলে দেশের জন্য ক্রিকেট খেলার শপথনি।'

বিরাটের সাফল্য
ঘরোয়া ক্রিকেটে দিল্লির হয়ে খেলার পর অধিনায়ক হিসেবে দেশের হয়ে অনূর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপ জিতেছেন। এরপর ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ডাম্বুলায় দেশের হয়ে অভিষেক। ধাপে ধাপে নিজেকে প্রতিদিন ঘষামাজা করে উন্নতি করেছেন। দেশের হয়ে বাইশ গজে ১ দশক কাটানোর পর বিরাটের ঝুলিতে এখন ৪৩টি ওডিআই শতরান, টেস্টে ২৫টি শতরান রয়েছে। দেশের জার্সিতে ৩ ফর্ম্যাট মিলিয়ে রয়েছে ২০ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক রান।












Click it and Unblock the Notifications