এশিয়া কাপে ভারতের বিজয় তিলক! কুলদীপের ভেল্কিতে দুর্গার বোধনের পরই পাকিস্তান-অসুর বধ
মহাষষ্ঠীতেই অসুর বধ। অবশ্য পঞ্জিকা মতে, মহাসপ্তমী তিথি পড়ে যাওয়ার পরই এশিয়া কাপ ঘরে তুলল ভারত। ষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধনের ঠিক পরেই বধ হলো অসুর পাকিস্তান!
রবিবার দুবাইয়ে ভারত ২ বল বাকি থাকতে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে পরাস্ত করে খেতাব জিতল। চলতি এশিয়া কাপে অভব্য পাকিস্তানকে তিন-তিনবার হারিয়ে অপরাজেয় থেকে খেতাব জিতল গৌতম গম্ভীরের প্রশিক্ষণাধীন দল।

চোটের কারণে ভারত ফাইনালে পায়নি হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। সুযোগ পান রিঙ্কু সিং। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সূর্য। পাকিস্তানের শুরুটা খারাপ হয়নি। ৯.৪ ওভারে ৮৪ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। সেখান থেকে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১৯.১ ওভারে ১৪৬ রানেই। ২০ রানে শেষ সাত উইকেট পড়ে। আরও ভালোভাবে বললে পাকিস্তান শেষ ৯ উইকেট হারায় ৩৩ রানের মধ্যে। ১২.৫ ওভারে ১১৩ রানে দ্বিতীয়, ১৩.৩ ওভারে ১১৪ রানে তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। ধস অব্যাহত থাকায় ১৪.৪ ওভারে ১২৬ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে। শেষ ৬টি উইকেট পড়ে ১৫ রানের ব্যবধানে।
ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ৩৮ বলে ৫৭, ফখর জামান ৩৫ বলে ৪৬ ও সাইম আয়ুব ১১ বলে ১৪ রান করেন। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ৪ ওভারে ৩০ রান খরচ করে চার উইকেট দখল করেন। জসপ্রীত বুমরাহ ৩.১ ওভারে ২৫, বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩০ ও অক্ষর প্যাটেল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে দুটি করে উইকেট নেন। শিবম দুবে বোলিং ওপেন করে ৩ ওভারে ২৩ ও তিলক বর্মা ১ ওভারে ৯ রান দেন, উইকেট পাননি।
ভারতের শুরুটা বেশ নড়বড়েভাবেই হয়। সাত রানে প্রথম, ১০ রানে দ্বিতীয় ও ২০ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে। অভিষেক শর্মা ৬ বলে ৫ ও শুভমান গিল ১০ বলে ১২ রান করে ফাহিম আশরফের শিকার হন। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ৫ বলে ১ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার। সঞ্জু স্যামসন ২১ বলে ২৪ রান করে আউট হন।
১২.২ ওভারে ৭৭ রানে স্কোর যখন ৪ উইকেটে ৭৭, তখন তিলক বর্মার সঙ্গে জুটি বাঁধেন শিবম দুবে। ১৯তম ওভারের শেষ বলে দুবে ২২ বলে ৩৩ রান করে আশরফের তৃতীয় শিকার হন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০। তিলকের দুরন্ত ব্যাটিংই শেষ অবধি জয় এনে দেয়। উইনিং শট মারেন রিঙ্কু সিং।
তিলক তিনটি চার ও চারটি ছয়ের সাহায্যে ৫৩ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। আগে অভব্য আচরণ করা হ্যারিস রউফকে বোল্ড করে হাতের ইশারায় বিশেষভাবে সেলিব্রেট করেছিলেন বুমরাহ। সেই রউফের বলেই ভারতকে বিজয় তিলক পরালেন তিলক। রিঙ্কু ১ বলে চার রান করে অপরাজিত থাকেন। আশরফ ২৯ রান দিয়ে তিনটি, আফ্রিদি ও আব্রার আহমেদ ১টি করে উইকেট পান।












Click it and Unblock the Notifications