সৌরভ-জয় জুটির ভাগ্যপরীক্ষা সুপ্রিম কোর্টে, বিসিসিআইয়ের আর্জি সংক্রান্ত মঙ্গল-শুনানিতে নজর
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহ যাতে বিসিসিআইয়ের সভাপতি ও সচিব হিসেবে থাকতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সম্মতি আদায়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিসিসিআই। ফের এই আর্জি সংক্রান্ত শুনানি হবে শীর্ষ আদালতে। ফলে সৌরভ ও জয় বোর্ডের স্বপদে বহাল থাকতে পারেন কিনা তা অনেকটাই নির্ভর করবে এই শুনানির উপর।

বিসিসিআইয়ের হয়ে সওয়াল করছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আজ বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও হিমা কোহলির বেঞ্চ তুষার মেহতাকে জানিয়েছেন, বোর্ডের আর্জির প্রেক্ষিতে আগামীকাল দুপুর নাগাদ শুনানি হবে। ক্রিকেট বোর্ড সংক্রান্ত যতগুলি বিষয় রয়েছে সেই সব নিয়েই চলবে শুনানি প্রক্রিয়া। ছয় বছর ক্রিকেট প্রশাসনে থাকলে কুলিং অফে যাওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু বিসিসিআই চাইছে, এই কুলিং অফের নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হোক বিসিসিআই সভাপতি ও সচিবকে। তবে সংবিধানে সংশোধন শীর্ষ আদালতের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। সেই কারণেই বোর্ড আর্জি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী মনিন্দর সিংকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিযুক্ত করেছে। বিসিসিআইয়ের এই আবেদনটি দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। করোনা পরিস্থিতিতে শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে ক্রমাগত। বিচারপতি বদল হয়েছে, আবার যিনি অ্যামিকাস কিউরি ছিলেন সেই পিএস নরসিমহা বিচারপতি পদে উন্নীত হয়েছেন। তুষার মেহতা আগের শুনানি চলাকালীন বলেছেন, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিয়েই সংবিধান সংশোধন করতে হবে, সেজন্যই বিসিসিআই এই আর্জি দাখিল করেছে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট এর আগে বিচারপতি আর এম লোধা-র নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশগুলিকে মান্যতা দিয়েছিল। সেইমতো চূড়ান্ত হয় বিসিসিআইয়ের সংবিধান, যাকে অনুমোদন দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। একটানা ছয় বছর কেউ রাজ্য সংস্থা ও বিসিসিআইয়ের পদে থাকলে তাঁকে বাধ্যতামূলকভাবে তিন বছরের কুলিং অফে যাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে বোর্ডের সংবিধানে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিসিসিআই সভাপতি হওয়ার আগে সিএবি সচিব ও সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। আবার জয় শাহ ছিলেন গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পদে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর তাঁরা স্বপদে বহাল থাকবেন কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। এমনকী এই শুনানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য সংস্থাগুলিও। সৌরভকে যদি বিসিসিআইয়ের সভাপতির পদ থেকে সরে যেতেও হয়, তাহলে নভেম্বরেই তাঁর আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আবার শীর্ষ আদালতের রায় সৌরভ-জয়দের পক্ষে গেলে সৌরভ যদি আইসিসিতে যান তাহলে জয় বোর্ড সভাপতি হতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications