Jay Shah: আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ শুরু জয় শাহের, স্পষ্ট করলেন অগ্রাধিকারের তালিকা
Jay Shah: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভাগ্য নির্ধারিত হবে জয় শাহের আমলেই। আজ থেকেই আইসিসি চেয়ার বা আইসিসি চেয়ারম্যান পদে কাজ শুরু করে দিলেন অমিত শাহের পুত্র।
বিসিসিআইয়ের সচিব হয়েছিলেন কনিষ্ঠতম হিসেবে। আইসিসি চেয়ারম্যানও হলেন সর্বকনিষ্ঠ হিসেবেই।

২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে থাকছে ক্রিকেট। মসৃণভাবে তা সফলভাবে আয়োজন করতে যা করণীয় সকলকে নিয়ে তা সুনিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকের তালিকায় রাখছেন জয়। সেই সঙ্গে বিশ্বের আরও জায়গায় ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিয়ে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কাজেও সচেষ্ট হবেন।
ক্রিকেট প্রশাসনের জয়ের আবির্ভাব ২০০৯ সালে। জেলা, রাজ্য স্তরের দায়িত্ব সামলে বিসিসিআইয়ের সচিব হন ২০১৯ সালে। তার আগে গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে নানা দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৯ সালে জয় গুজরাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এগজিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার হয়েছিলেন।
২০১৩ সালে জিসিএ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি হন। আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কাজ হয়েছে জয়ের নেতৃত্বেই। ২০১৫ সালে জয় বিসিসিআইয়ের ফিনান্স ও মার্কেটিং কমিটিতে এসেছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে বিসিসিআই সচিব হন।
২০২১ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হন জয় শাহ। ২০২২ সালে অক্টোবর মাসে জয় পুনরায় বিসিসিআই সচিব হন। তাঁর জমানায় আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ত্ব রেকর্ড দরে বিক্রি হয়। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটাদের বেতনে বৈষম্য ঘোচানো, ঘরোয়া ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতে বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস- সবই হয়েছে জয়ের উদ্যোগেই।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন জয়। জগমোহন ডালমিয়া, শরদ পওয়ার, এন শ্রীনিবাসন ও শশাঙ্ক মনোহরের পর পঞ্চম ও সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে আইসিসি চেয়ার হলেন জয় শাহ।
ভারতে মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ চালু থেকে শুরু করে টেস্ট ক্রিকেট ইনসেনটিভ স্কিম চালু জয়ের ভাবনা থেকেই। বেঙ্গালুরুতে জয়ের উদ্যোগেই তৈরি হয়েছে স্টেট অব দ্য আর্ট সেন্টার অব এক্সেলেন্স। আইসিসিতে ফিনান্স ও কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ারস কমিটির প্রধানেরও দায়িত্ব সফলভাবে সামলেছেন জয়।
তাঁর উপর আস্থা রাখায় আইসিসির ডিরেক্টর ও বোর্ড মেম্বারদের ধন্যবাদ জানিয়ে জয় শাহ জানান, ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করতে, মানুষের সঙ্গে আরও একাত্ম করতে তিনি উদ্যোগী হবেন। লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ক্রিকেটকে স্বমহিমায় রাখার জন্য সবরকম বন্দোবস্ত করা হবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটের জনপ্রিয়তা অক্ষুণ্ণ রাখার পাশাপাশি মহিলাদের ক্রিকেটকে আরও বিকশিত করার কাজকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখছেন জয়। বিগত চার বছরে গ্রেগ বার্কলে আইসিসি চেয়ার পদে থাকাকালীন যে মাইলস্টোনগুলি ছোঁয়া গিয়েছে, সেই প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকারও প্রশংসা করেন জয়। আইসিসির টিম ও সদস্য দেশগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ চালিয়ে ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয়তা করা, বিশ্ব মঞ্চে আরও উঁচুতে তুলে ধরতে চান জয় শাহ।












Click it and Unblock the Notifications