Jasprit Bumrah: ভারতের পাশাপাশি বিদেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন বুমরাহ, বিভিন্ন সময় ভুগিয়েছে নানা চোট
Jasprit Bumrah: জসপ্রীত বুমরাহ ব্যাক স্প্যাজমের কারণে সিডনি টেস্টে সিংহভাগ সময়েই বোলিং করতে পারেননি। এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি তাঁর চোট কতটা গুরুতর।
তাঁর পক্ষে যে ইংল্যান্ড সিরিজ খেলা সম্ভব নয় তা স্পষ্ট। এই ধরনের সমস্যা সারতে সর্বাধিক তিন মাস লাগতে পারে। আবার ২ সপ্তাহের মধ্যেও ফিট হয়ে যেতে পারেন বুমরাহ। সবটাই নির্ভর করে চোট কতটা গুরুতর তার উপর।

একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সূত্র উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, বুমরাহ তাঁর চোট নিয়ে বিসিসিআইয়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলবেন। এ ছাড়াও পরামর্শ নেবেন নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসকের, যিনি ২০২৩ সালের মার্চে বুমরাহর পিঠের অপারেশন করেছিলেন।
বুমরাহর চোটের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য কয়েক দিনের মধ্যেই জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন বুমরাহ। ইতিমধ্যেই চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা হচ্ছে ভারতীয় পেসারের। আরও কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। প্রয়োজনে বুমরাহকে পর্যাপ্ত বিশ্রামও দেওয়া হবে।
ডিসেম্বর মাসে আইসিসির সেরা ক্রিকেটার হিসেবে আজ মনোনীত হয়েছেন বুমরাহ। দেশের মাটিতে ইংল্যান্ড সিরিজে না খেলতে পারলেও তাঁকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পেতে চায় ভারত। সুনীল গাভাসকর অবশ্য বলেছেন, বুমরাহর উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত নয়। বুমরাহকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিয়ে তরতাজা রাখতে তরুণ পেসারদের মধ্যে কাউকে বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন গাভাসকর।
বুমরাহ চোট-আঘাতের জন্য বিভিন্ন সময় মাঠের বাইরে থেকেছেন। ২০১৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিজের বলে ক্যাচ ধরতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল ফ্র্যাকচার হয়েছিল বুমরাহর। তিন সপ্তাহ বাইরে ছিলেন। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের বাকি ম্যাচ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট খেলতে পারেননি।
যদিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের বাকি তিনটি ম্যাচে তিনি ১৪ উইকেট নেন। যার মধ্যে ট্রেন্টব্রিজে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে দলকে জেতান। ভারত সিরিজ হেরেছিল ১-৪-এ। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট হ্য়াটট্রিক পেয়েছিলেন। কিন্তু এরপরই লোয়ার-ব্যাক স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের কারণে তিনি ছিটকে যান তিন মাসের জন্য।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে সিরিজ খেলতে পারেননি। ২০২০ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ২০২১ সালে সিডনি টেস্টে ফিল্ডিংয়ের সময় অ্যাবডমিনাল স্ট্রেইনের সমস্যা বোধ করেন বুমরাহ। যার জেরে ব্রিসবেন টেস্টে খেলতে পারেননি। ভারত সিরিজ জিতেছিল।
মাসখানেকের মধ্যে ফিট হয়ে তিনি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে প্রত্যাবর্তন করেন। ২০২২ সালে পিঠের চোট ফের ভোগাতে থাকে। খেলতে পারেননি এশিয়া কাপ ও টি২০ বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে খেলতে নেমে ফের অস্বস্তি বোধ করেন। ছিটকে যান। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে খেলতে পারেননি। শেষ অবধি ২০২৩ সালে পিঠের অস্ত্রোপচার করাতে হয়।
অপারেশনের জন্য আইপিএল ও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে পারেননি বুমরাহ। এনসিএতে রিহ্যাব চলে মাস চারেক ধরে। প্রায় এক বছর চোটের কারণে বাইরে থাকার পর ২০২৩ সালে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে অধিনায়ক হিসেবে। এবার যে চোট লাগল তাতে বুমরাহকে কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয় সেদিকেই সকলে তাকিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications