আইপিএল ২০২১-এ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু কেকেআরের, হায়দরাবাদকে জেতাতে ব্যর্থ মনীশ-বেয়ারস্টো
আইপিএল ২০২১-এ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু কেকেআরের, হায়দরাবাদকে জেতাতে ব্যর্থ মনীশ-বেয়ারস্টো
জয় দিয়েই ২০২১ সালের আইপিএলের যাত্রা শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স বা কেকেআর। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১০ রানে হারিয়ে দিল ইয়ন মর্গ্যানের দল। নীতীশ রানা ও রাহুল ত্রিপাঠীর দুর্দান্ত ব্যাটিংকে যোগ্য মর্যাদা দিলেন কেকেআরের বোলাররা। মূল্যবান তিন পয়েন্ট গেল কলকাতার ঝুলিতে।

১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক তথা ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মাত্র ৩ রান করে আউট করে আউট হন অস্ট্রেলিয় ব্যাটসম্যান। অধিনায়কের পিছু নিয়ে সাজঘরের ঘরের পথে আগুয়ান হন উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহাও। একটি মাত্র ছক্কা সহ সাত রান করতে পারেন বাংলার ক্রিকেটার।
এরপর হায়দরাবাদকে ম্যাচে ফেরায় জনি বেয়ারস্টো ও মনীশ পান্ডের সাহসী পার্টনারশিপ। জুটিতে ৯২ রান তোলেন দুই ক্রিকেটার। ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে ওঠা বেয়ারস্টোকে ৫৫ রানের স্কোরে সাজঘরের রাস্তা দেখান প্যাট কামিন্স। ৪৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন মনীশ পান্ডে। ১৪ রান করে আউট হন অল রাউন্ডার মহম্মদ নবি। ১১ রান করেন বিজয়শংকর। ৮ বলে ১৯ রান করেন আব্দুল সামাদ। কেকেআরের হয়ে দুই উইকেট নেন পেসার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। একটি করে উইকেট নেন শাকিব আল হাসান, প্যাট কামিন্স ও আন্দ্রে রাসেল।
আইপিএল ২০২১-এর অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে রান তাড়া করে জেতা সহজ হবে বলে মনে করেন ডেভিড ওয়ার্নার। শিশিরের কারণে রাতের দিকে বোলারদের পক্ষে বল গ্রিপ করা মুশকিল হবে বলে মনে করেছিলেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক।
কিন্তু ওয়ার্নারের পরিকল্পনায় জল ঢেলে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ঢঙে ব্যাটিং করতে শুরু করেন কেকেআরের ওপেনার নীতীশ রানা। উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে থাকা শুভমান গিলও ব্যাট চালানো শুরু করেন সাবলীল ঢঙে। কেকেআরের দুই ওপেনারের মধ্যে ৫৩ রানের পার্টনারশিপ হয়। ১৫ রান করে রশিদ খানের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান গিল। ক্রিজের অন্যদিক আঁকড়ে ধরে রাখেন রানা।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ক্রমেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন নীতীশ। সঙ্গী হিসেবে রাহুল ত্রিপাঠীকে পেয়ে যান বাঁ-হাতি। চালিয়ে খেলেন দুই ক্রিকেটারই। রানা এবং ত্রিপাঠীর মধ্যে ৯৩ রানের পার্টনারশিপ হয়। ২৯ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন রাহুল। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা আসে তাঁর ব্যাট থেকে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই চার হাঁকান আন্দ্রে রাসেল। চালিয়ে খেলতে গিয়ে রশিদ খানের বলে মনীশ পান্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। রাসেলের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫ রান।
অন্যদিকে ৫৬ বলে ৮০ রানের অতি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন নীতীশ রানা। ৯টি চার ও চারটি ছক্কা আসে তাঁর ব্যাট থেকে। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ব্যাট চালাতে গিয়ে মাত্র ২ রান করে আউট হন কেকেআরের অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। শেষবেলায় ৯ বলে ২২ রানের দাপুটে ইনিংস খেলেন দীনেশ কার্তিক। ভুবনেশ্বর কুমারের শেষ ওভারে রান করেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন রশিদ খান ও মহম্মদ নবি। এক উইকেট নেন বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার টি নটরাজন।












Click it and Unblock the Notifications