বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডকে হঠিয়ে ১ নম্বর! টেস্ট ক্রিকেটের সিংহাসন দখল বিরাট কোহলির ভারতের
টেস্ট ক্রিকেটে রাহুল দ্রাবিড় ও বিরাট কোহলির কোচ-অধিনায়ক জুটির শুরুটা হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় দিয়েই। টেস্ট ক্রিকেটে রানের নিরিখে এটাই ভারতের সেরা জয়। ৩৭২ রানে জয়ের সৌজন্যে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করল ভারত। দুইয়ে নেমে গিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২০১৬ সালের পর ফের নিউজিল্য়ান্ডকে টেস্ট সিরিজে হারাল ভারত।

মুম্বই টেস্ট শেষে আইসিসির তরফে প্রকাশিত র্যাঙ্কিং তালিকা অনুযায়ী ভারত ২৮টি ম্যাচে ৩৪৬৫ পয়েন্ট ও ১২৪ রেটিং নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। ২৫টি টেস্টে ৩০২১ পয়েন্ট ও ১২১ রেটিং নিয়ে দুইয়ে নেমে গিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড। তিনে অস্ট্রেলিয়া, চারে ইংল্যান্ড, পাঁচে পাকিস্তান, ছয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, সাতে শ্রীলঙ্কা, আটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নয়ে বাংলাদেশ ও দশে রয়েছে জিম্বাবোয়ে। ২০১৬-১৭ মরশুমের রেকর্ড আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে আর বিচার্য না হওয়ায় ২০২০ সালের মে মাসে বিশ্বে ১ নম্বর টেস্ট দলের মর্যাদা খুইয়েছিল বিরাট কোহলির ভারত।

প্রথম আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড ভারত সফরেই চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সিরিজ খেলল। কানপুর টেস্ট ড্র রাখতে সক্ষম হলেও কিউয়িরা লজ্জাজনক হারের মুখোমুখি হলো মুম্বইয়ে। এই টেস্ট শেষ হওয়ার পর ২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার ৬ নম্বরে রইল নিউজিল্যান্ড। কানপুর টেস্ট ড্র করে ঝুলিতে চার পয়েন্ট, সাফল্যের হার ১৬.৬৬ শতাংশ। শীর্ষে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ২৪ পয়েন্ট ও ১০০ শতাংশ সাফল্য নিয়ে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানেরও পয়েন্ট ২৪, সাফল্যের হার ৬৬.৬৬ শতাংশ। ভারত রয়েছে তিনে, ৬ টেস্টে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে, সাফল্যের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ।

এদিকে, মুম্বই টেস্টের পর অজিঙ্ক রাহানের পাশেই দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, আমিও যেমন অজিঙ্কার ফর্ম বিচার করতে পারি না, মনে করি অন্য কেউও পারেন না। কোন জায়গায় উন্নতি করতে হবে সেটা সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। টেস্ট ম্যাচে আগে কঠিন সময়ে যাঁরা দেশের জন্য ভালো পারফর্ম করেছেন তাঁদের পাশে থাকতে হবে। খারাপ সময়ে যদি কোনও ক্রিকেটারের উপর চাপ আসে এবং বাইরে অনেকে কৌতূহলী হয়ে পড়েন পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য, সেগুলোকে দলগতভাবে আমরা পাত্তাই দিই না। বাইরের কথাকে গুরুত্ব না দেওয়ার কারণ যে ক্রিকেটারের সমর্থনে সকলে গলা ফাটান, দু মাস পর তাঁরাই ওই ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলেন! বাইরের পরিস্থিতি অনুযায়ী অজিঙ্ক বা অন্য কাউকে নিয়েই আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি, ভবিষ্যতেও নেব না।












Click it and Unblock the Notifications