ICC World Cup 2023: আটে আট করার লক্ষ্যে ভারত নামছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, বিশ্বকাপে দ্বৈরথের ফলাফল একনজরে
ICC World Cup 2023: আইসিসির ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আটে আট করার লক্ষ্য নিয়েই কাল আমেদাবাদে নামছে ভারত। ১৯৯২ থেকে সাতটি দ্বৈরথের সাতটিতেই জিতেছে মেন ইন ব্লু।
১৯৯২ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে এবারও ফেভারিট হিসেবেই নামছে রোহিত শর্মার দল। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথগুলির ফলাফল। নায়কই বা হয়েছিলেন কারা?

গত বিশ্বকাপে ২০১৯ সালের ১৬ জুন ভারত ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে ৮৯ রানে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। ম্যানচেস্টারের সেই ম্যাচে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। রোহিত শর্মার ১৪০ ও বিরাট কোহলির ৭৭ রানের দৌলতে ভারত তোলে ৫ উইকেটে ৩৩৬।
বৃষ্টির পর পাকিস্তানের টার্গেট দাঁড়ায় ৪০ ওভারে ৩০২। পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২১২ করেছিল। বিজয় শঙ্কর, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও কুলদীপ যাদব নিয়েছিলেন ২টি করে উইকেট। ম্যাচের সেরা হন রোহিত।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি অ্যাডিলেডে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান হাঁকিয়ে ম্যাচের সেরা হন বিরাট কোহলি। ভারত টস দিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ৩০০ রান তুলেছিল। বিরাট কোহলি ১০৭, সুরেশ রায়না ৭৪ ও শিখর ধাওয়ান ৭৩ রান করেছিলেন।

জবাবে ৪৭ ওভারে পাকিস্তান ২২৪ রানেই শেষ। চার উইকেট নেন মহম্মদ শামি। উমেশ যাদব ও মোহিত শর্মা নেন ২টি করে উইকেট।
২০১১ সালের বিশ্বকাপে ৩০ মার্চ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মোহালিতে পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ভারত। ৩০ মার্চ ভারত টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৬০ তোলে। সচিন তেন্ডুলকর করেন ৮৫। জবাবে ৪৯.৫ ওভারে ২৩১ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জাহির খান, আশিস নেহরা, মুনাফ প্যাটেল, হরভজন ও যুবরাজ সিং ২টি করে উইকেট নেন। সচিন হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা।
২০০৩ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ২৬ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। ১ মার্চ সেঞ্চুরিয়নে পাকিস্তান টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সঈদ আনোয়ারের ১০১ রানের দৌলতে ৭ উইকেটে ২৭৩ রান করে। জাহির খান ও আশিস নেহরা ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে সচিন তেন্ডুলকরের ৯৮ এবং রাহুল দ্রাবিড়ের অপরাজিত ৪৪ ও যুবরাজ সিংয়ের অপরাজিত ৫০ রানে ভর করে জেতে ভারত। ম্যাচের সেরা হন সচিন।
১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ৮ জুন ম্যানচেস্টারে ভারত ৪৭ রানে হারায় পাকিস্তানকে। টস জিতে ভারত ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ২২৭ রান তোলে। রাহুল দ্রাবিড় ৬১, অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন ৫৯ ও সচিন তেন্ডুলকর ৪৫ রান করেন। জবাবে ৪৫.৩ ওভারে পাকিস্তান শেষ ১৮০ রানে। ২৭ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। জাভাগল শ্রীনাথ ৩টি ও অনিল কুম্বলে ২ উইকেট নেন।
১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে ৯ মার্চ বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে পাকিস্তানকে ৩৯ রানে হারায় ভারত। টস জিতে ভারত ব্যাটিং নেয়। নভজ্যোৎ সিধুর ৯৩ ও অজয় জাদেজার ৪৫ আজহারের ভারতকে পৌঁছে দেয় ৮ উইকেটে ২৮৭ রানে। পাক অধিনায়ক আমির সোহেলের ৫৫ ও সঈদ আনোয়ারের ৪৮ রান সত্ত্বেও পাকিস্তান ৯ উইকেটে ২৪৮-এর বেশি যেতে পারেনি।
ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ও অনিল কুম্বলে নেন তিনটি করে উইকেট। সিধু পেয়েছিলেন ম্যাচের সেরার পুরস্কার।
১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। সেবার সিডনিতে ভারতের কাছে পরাস্ত হয়েছিল ইমরান খানের পাকিস্তান। ৪ মার্চ সেই ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আজহারের নেতৃত্বাধীন ভারত ৭ উইকেটে ২১৬ রান তোলে। সচিন অপরাজিত ছিলেন ৫৪ রানে। অজয় জাদেজা ৪৬, কপিল দেব ৩৫ ও আজহার ৩২ রান করেন।
জবাবে পাকিস্তান ৪৮.১ ওভারেই অল আউট হয়ে যায়। কপিল দেব, মনোজ প্রভাকর, জাভাগল শ্রীনাথ দুটি করে এবং সচিন তেন্ডুলকর ও ভেঙ্কটপতি রাজু একটি করে উইকেট নিয়েছিলেন। ম্য়াচের সেরা হন সচিন।












Click it and Unblock the Notifications