গর্বের মুহূর্ত ভারতের জন্য, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যাচ পরিচালনা করলেন বাংলার প্রাঞ্জাল সহ তিন ভারতীয় রেফারি
গর্বের মুহূর্ত ভারতের জন্য, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ পরিচালনা করলেন বাংলার প্রাঞ্জাল সহ তিন ভারতীয় রেফারি
ভারতীয় রেফারিদের নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। কলকাতা সহ বিভিন্ন রাজ্যের ঘরোয়া লিগ তো বটেই জাতীয় স্তরের টুর্নামেন্টেও (আইএসএল, আই লিগ) রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বহু বার অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে ক্লাবগুলিকে। প্রতি মরসুমে আইএসএল এবং আই লিগের ক্লাবগুলির অগুণিত অভিযোগ জমা পড়ে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)-এর দফতরে।

যে দেশের ক্লাবগুলিই নিজেদের দেশের রেফারির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তোলে পক্ষপাতিত্ব এবং ভুলভাল সিদ্ধান্তের সেই দেশের চার রেফারিই পরিচালনা করল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ। শুধু ক্লাব কর্তারাই নন, সদস্য-সমর্থকেরাও রেফারির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অবিরত। সিদ্ধান্ত মনের মতো না হলে মাঠের মধ্যেই ফুটবলারদের রেফারির দিকে তেড়ে যাওয়ার নির্দশন আকছাড় দেখা যায়। খুব কম রেফারি রয়েছেন যাঁরা সম্ভ্রম আদায় করে নিতে পেরেছেন। ক্রমাগত কটুক্তি এবং নানান প্রকার বিদ্রুপ সহ্য করতে হলেও পেশাদারিত্ব ধরে রেখে নিজেদের কাজটা করে চেলেছে এই দেশের রেফারিরা। তবে, এই সকল বিতর্কের জবাব আন্তর্জাতিক মঞ্চে দিলেন ভারতের চার জন রেফারি।
গত ৮ মার্চ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ ছিল সিডনি এফসি এবং কায়া এফসি-র মধ্যে। অস্ট্রেলিয়ার জুবিলি স্টেডিয়ামের সেই ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন চার জন ভারতীয়। প্রধান রেফারি ছিলেন রোয়ান অরুমুঘন। দুই সহকারী রেফারি ছিলেন অরুণ শশীধরন পিল্লাই এবং কেনেডি সাপাম। চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন বাংলার প্রাঞ্জল বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে অস্ট্রেলীয় দলটি ৫-০ ব্যবধানে হারায় ফিলিপিন্সের দলটিকে। ওই ম্যাচ পরিচালনা ঘিরে বড় কোনও বিতর্ক হয়নি। দু'দলের ফুটবলার, কোচেরা ভারতীয় রেফারিদের খেলা পরিচালনায় সন্তুষ্ট।
২০২২ সালে ফিফার প্যানেলে জায়গা পাওয়া ১৮ জন রেফারির মধ্যে এই চার রেফারি রয়েছেন এবং সেই কারণেই চ্যাম্পিন্স লিগের পর্যায়ের ম্যাচ পরিচালনা করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তাঁরা। এই ১৮ জন ভারতীয় রেফারির মধ্যে রয়েছেন চার জন মহিলা রেফারি। এই ম্যাচে পরিচালনা করা অরুমুঘন ছাড়া চতুর্থ রেফারি দায়িত্ব পালন করা প্রাঞ্জল রয়েছেন ফিফা প্যানেলে প্রধান রেফারিদের তালিকায়। দুই সহকারী রেফারি শশীধরণ পিল্লাই এবং কেনেডি সাপাম রয়েছেন ফিফার সহকারী রেফারিদের তালিকায়।
কেরলের অরুমুঘন ২০০৯ সাল থেকেই জাতীয় স্তরে রেফারিং করছেন। ওই একই বছর থেকেই তিনি ফিফা প্যানেলে রয়েছেন। অপর দিকে, এই ম্যাচে চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব সামলানো প্রাঞ্জলও প্রধান রেফারির তালিকায় রয়েছেন।
২০১৪ সালে এএফসি প্যানেলে এবং ২০১৫ সাল থেকে ফিফা প্যানেলে রয়েছেন বাংলার এই দক্ষ রেফারি। বহু কঠিন খেলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। কলকাতা ডার্বি একাধিক বার খেলিয়েছেন। পাশাপাশি, এএফসি-র হয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচ খেলিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালে তাঁকে বর্ষসেরা রেফারির পুরস্কার দেয় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications