কু-কীর্তিমান রাজ কুন্দ্রা কালিমালিপ্ত করেন ক্রিকেটকে, আইপিএল থেকে আজীবন নির্বাসিত
মুম্বই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। পর্ন ছবি তৈরি এবং অশ্লীল ছবি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে। ২৩ জুলাই অবধি পুলিশি হেফাজতে থাকতে হবে কেলেঙ্কারির কীর্তিমানকে! রাজ কুন্দ্রা কালিমালিপ্ত করেছিলেন ক্রিকেট জগতকেও।

রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা
২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলেই চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালসের অন্যতম কর্ণধার হয়েছিলেন রাজ কুন্দ্রা ও শিল্পা শেট্টি। ২০০৯ সালে প্রায় ৮০.৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তাঁরা রাজস্থানের ফ্র্যাঞ্চাইজির ১২ শতাংশ মালিকানা নেন। যদিও মরিশাসের যে সংস্থাকে দেখিয়ে এই বিনিয়োগ করা হয়েছিল তা নিয়ে পরে প্রশ্ন ওঠে। সন্দেহ প্রকাশ করেছিল খোদ ফরেন ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড।

আইপিএলের কালো অধ্যায়
২০১৩ সালে আইপিএল চলাকালীনই দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এস শ্রীসন্থ, অজিত চাণ্ডেলা ও অঙ্কিত চ্যবন। স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে তাঁরা ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হন। তদন্তে জড়িয়ে যায় চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসের নাম। আইপিএল থেকে দুটি দল বহিষ্কৃতও হয় দুই বছরের জন্য। যদিও নির্বাসনের সেই মেয়াদ কাটিয়ে কয়েক মাস আগে ক্রিকেট মাঠে ফিরেছেন এস শ্রীসন্থ।

রাজ-কেলেঙ্কারি
স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি এন শ্রীনিবাসনের জামাই গুরুনাথ মেয়াপ্পন ও রাজ কুন্দ্রার নাম। ২০১৩ সালের জুনেই দিল্লি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন রাজ। বিজনেস পার্টনার উমেশ গোয়েঙ্কা ও এক বুকির মাধ্যমে বেটিং করার কথা স্বীকার করলেও স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ মানতে চাননি তিনি। পরে দিল্লি পুলিশ রাজ কুন্দ্রাকে ক্লিন চিট দেয়। যদিও ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্যানেল রাজ কুন্দ্রাকে আইপিএল-সহ ক্রিকেটের সমস্তরকম কাজকর্ম থেকে আজীবন নির্বাসনে পাঠায়। যদিও ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টে দিল্লি পুলিশের ক্লিনচিটকে হাতিয়ার করে পিটিশন দাখিল করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা।












Click it and Unblock the Notifications