বিশ্বকাপ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২০০৭-ই অনুপ্রেরণা বাংলাদেশের
রবিবার লন্ডনের ওভালে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা।
রবিবার লন্ডনের ওভালে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা। যারা ইতিমধ্যে এই মাঠেই বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে এবং সেটি ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে। তাই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে মরিয়া হয়ে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির প্রোটিয়াস বাহিনী। ধারে-ভারে-শক্তিতে মাশরাফি মোর্তজার থেকে কুইন্টন ডি ককরা এগিয়ে আছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, শক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও রবিবারের ম্যাচ বাংলাদেশের অনুপ্রেরণা ১২ বছর আগের ইতিহাস বলা চলে। ২০০৭-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বিশ্বকাপে গ্রেম স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন মাশরাফি মোর্তজা, সাকিব-আল-হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবালরা। সেই ম্যাচের ঝলক রবিবার ওভালেও দেখাতে মরিয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ২০০৭-র সেই বাংলাদেশ দলের কিছু তরুণ ক্রিকেটার এবারের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের প্রবীণ ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
আর অল্প সময়ের মধ্যেই মুখোমুখি হতে চলেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। তার আগে দেখে নেওয়া যাক দুই দলের শক্তি ও দুর্বলতা।

দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি
দক্ষিণ আফ্রিকাকে অল-রাউন্ড পারফরম্যান্সে টেক্কা দিয়েছিল ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই দুর্বলতাকেই শক্তি বানাতে চান ফাফ ডুপ্লেসি, ইমরান তাহিররা। গত ম্যাচে তুখোর ব্যাটিং করা উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক এবং রেইসে ভ্যান ডার ডুসেনের উপর এই ম্যাচেও ভরসা রাখছে প্রোটিয়াস শিবির। সঙ্গে অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি, হাসিম আমলা, ডেভিড মিলারের ব্যাট চললে দক্ষিণ আফ্রিকানদের আটকানো মুশকিলই হবে। অন্যদিকে, কাগিসো রাবাডা, ইমরান তাহির সমৃদ্ধ প্রোটিয়াসদের বোলিং বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাস হয়ে উঠতে পারে।

দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্বলতা
অভিজ্ঞ ব্যাতসম্যান হাসিম আমলার চোট এবং অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি সহ টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের আউট অফ ফর্ম দক্ষিণ আফ্রিকান শিবিরকে ভাবাচ্ছে।

বাংলাদেশের শক্তি
তামিম ইকবাল, সাকিব-আল-হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস সমৃদ্ধ ব্যাটিং-ই বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি।

বাংলাদেশের দুর্বলতা
ভারতের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশী বোলারদের ব্যর্থতা দলের চিন্তা বাড়িয়েছে।

মুখোমুখি
বিশ্বকাপে তিন বার মুখোমুখি হয় দুই দল। ২ বার জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা, এক বার জেতে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে দুই দলের ২০টি সাক্ষাতে ১৭ বার জিতেছে প্রোটিয়াসরা। মাত্র তিন বার জিতেছে বাংলাদেশ।












Click it and Unblock the Notifications