রস টেলরের দাবি টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা নামবে আন্ডারডগ হিসেবেই, নিউজিল্যান্ড ভয় পাচ্ছে ভারতের কোন দু'জনকে?
২৫ নভেম্বর থেকে কানপুরে শুরু টেস্ট সিরিজ। আইসিসি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত সফরে দুটি টেস্টের সিরিজ দিয়েই খেতাব দখলে রাখার অভিযান শুরু করবে নিউজিল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনরা ভারত ছাড়াও যাবেন পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডে। দেশের মাটিতে কিউয়িদের টেস্ট সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। কানপুর ও মুম্বইয়ে দুটি টেস্টকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড।

২৩ জুন রস টেলরের চারেই ভারতকে পরাস্ত করে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। তারপর বাংলাদেশ সফর ও টি ২০ বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাননি টেলর। ফলে সেই ফাইনালের পর আর দেশের হয়ে খেলেননি টেলর। আজ সকালে সল্টলেকের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করেছে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট দল।
উইলিয়ামসনরা টি ২০ বিশ্বকাপ খেলে এ দেশে এসে পৌঁছানোর আগে থেকেই কানপুরে কিউয়িদের টেস্ট দলের সদস্যরা অনুশীলনে নেমে পড়েছিলেন। টেলরের কথায়, আমরা সকলেই টেস্ট সিরিজের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হয়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছি। ভারত বা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে খেলার চেয়ে বড় কিছু আর হয় না। এই মুহূর্তে টেস্ট ক্রিকেটে এই দুটি দেশের চ্যালেঞ্জ সামলানোই সবচেয়ে কঠিন। আমরা আন্ডারডগ হিসেবে শুরু করলেও দলগতভাবে ভালো পারফরম্যান্সের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।

টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের অভিজ্ঞ ব্যাটারের কথায়, বিশ্বের ১ বা যে কোনও নম্বরেই কেউ থাকুক না কেন ভারতে খেলতে এলে আন্ডারডগ হিসেবেই শুরু করতে হবে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও অক্ষর প্যাটেলের স্পিন জুটিকে সামলানোর উপরই যে কিউয়িদের সাফল্য নির্ভর করবে সে কথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন টেলর। অশ্বিনের জন্য কী রণকৌশল থাকবে সেই প্রশ্নের উত্তরে টেলর বলেন, আমি এখানেই তা বলতে চাইছি না। আমি এটাও জানি না ভারত কীভাবে প্রথম একাদশ সাজাবে। তবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অক্ষর প্যাটেল বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভারত দুই বা তিন স্পিনার যে কম্বিনেশনেই নামুক, অশ্বিন নিশ্চিতভাবেই থাকবেন। তিনিও খুব ভালো বোলার। ফলে এই কন্ডিশনে আমরা তাঁদের কীভাবে সামলাতে পারব, সিরিজের গতিপ্রকৃতি তার উপর নির্ভর করবে।

ভারতের পেস আক্রমণকেও সমীহ করছেন রস টেলর। তিনি বলেন, নতুন বল আর রিভার্স স্যুইংয়ে ফাস্ট বোলিং এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু ভারতে স্পিন বেশি কার্যকরী হয়। ফলে শুধু স্পিন বোলিং সামলানোর প্রস্তুতি নিলেই হবে না, ভারতীয়দের শক্তিশালী জোরে বোলিং আর রিভার্স স্যুইংয়ের জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে স্পিন বোলিং সামলানোর উপরই যে সিরিজের ফলাফল নির্ভর করবে সে সম্পর্কে সজাগ টেলর।
টেলরের কথায়, বোলারদের পাল্টা চাপে ফেলার লক্ষ্যে এগোতে হবে। স্লগ স্যুইপ কার্যকরী হতে পারে। প্রথম টেস্টে বিরাট কোহলি থাকছেন না। টেলর বলেন, ভারত কয়েকজন ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দিলেও যথেষ্ট শক্তিশালী দল। পরিবেশ, পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে আমাদের। ভারতে খেলা বিদেশে খেলার মতো নয় আমাদের কাছে। এখানে আমরা অনেকেই অনেক ক্রিকেট খেলেছি। চ্যালেঞ্জ কঠিন, তবে সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications