অমর্ত্য সেনের বাড়ির জমির যে নথি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তা ভুল, বিস্ফোরক দাবি বিশ্বভারতীর উপাচার্যের
অমর্ত্য সেনের জমির কাগজ নিয়ে আবারও বিস্ফোরক দাবি করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য
নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের শান্তিনিকেতনের বাড়ির জমির জট আরও জটিল হচ্ছে। গতকাল অমর্ত্য সেনের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী যে নথি দিয়ে এসেছেন সেটা একেবারেই ভুল। এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিশ্বভারতীরক উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই নিয়ে।

বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী জানিয়েছেন , লিজ হোল্ড জমিটি ছিল অমর্ত্য সেনের বাবা আশুতোষ সেনের নামে। মত ব্যক্তির নামে কখনও লিজহোল্ড জমি ট্রান্সফার হয় না বলে দাবি করেছেন তিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন জমির মিউটেশন হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই অনুযায়ী প্রতিবিঘা কর হিসেবে ১৮,৯৪০ টাকা রাজ্যকে দেওয়া হয়েছে। যদি অমর্ত্য সেমন টাকা দিতেন তাহলে উনি ১৩৮ ডেসিমেল হিসেবে কর দিতেন। কিন্তু নোবেলজয়ী তা দেননি বলে দাবি করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য। ২০০৬ সালে জমিটি ট্রান্সফার হয়। তার তথ্য রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল অর্থাৎ সোমবার অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অমর্ত্য সেনের হাতে জমির কাগজ তুলে দেন। সেই সঙ্গে তাঁকে জেড ক্যাটাগোরির নিরাপত্তাও দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছিলেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে। তারপরে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে চিঠি পাঠানো হয়। তাতে দাবি করা হয় বিশ্বভারতীর জমি দখল করে রয়েছেন তিনি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বিকার করেছিলেন নোবেল জয়ী। তিনি জানিয়েছিলে বিশ্বভারতীয় যে জমি লিজ নেওয়া হয়েছে। সেটা তাঁর নামে রয়েছে। আর বাকি জমি তিনি কিনে নিয়েছিলেন।
নোবেল জয়ী শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি দখল করে থাকার অভিযোগ একেবারেই মিথ্যে বলে দাবি করেিছলেন নোবেল জয়ী। এই নিয়ে তুমুল রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে কথা বলার কারণে অমর্ত্য সেনকে হয়রান করতেই এই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications