পুরভোটের লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু অনুব্রতের, ১০ বছরে বীরভূম তৃণমূলের সংগঠনে সব থেকে বড় পরিবর্তন
পুরভোটের লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু অনুব্রতের, ১০ বছরে বীরভূম তৃণমূলের সংগঠনে সব থেকে বড় পরিবর্তন
বিধানসভা নির্বাচনে নিজের জেলায় বড় সাফল্য পেয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (anubrata mondal)। যদিও ফলাফলে দেখা গিয়েছিল পুর এলাকাগুলিকে ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল (trinamool congress)। যার মধ্যে রয়েছে বোলপুরও। এবার সেই পুরভোটের লক্ষ্যেই কাজ শুরু করে দিলেন অনুব্রত। পাশাপাশী বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের (shatabdi roy) সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

ভোটের আগেই দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি
বিধানসভা ভোটের আগে কর্মীসভায় গিয়েই অনুব্রত মণ্ডল হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দলকে জেতাতে না পারলে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। সেই মতো কাজ শুরু করে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের যেসব বুথে কিংবা অঞ্চলে তৃণমূল বিজেপির কাছে হেরেছে, সেইসব বুধ ও অঞ্চল সভাপতিদের সরিয়ে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। পাশাপাশি সেই সব এলাকায় থাকা প্রধানদেরও সরিয়ে দিতে দলের পদাধিকারীদের বলেছেন তিনি। একইভাবে পুরসভার যেসব ওয়ার্ডে তৃণমূল হেরেছে, সেই সেই জায়গায় দায়িত্বে থাকা নেতাদেরও সরিয়ে দিয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

১০ বছরে জেলা তৃণমূলের সংগঠনে সব থেকে বড় পরিবর্তন
গত বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমে তৃণমূল ১১ টি আসনের মধ্যে জিতেছে ১০ টি আসনে। তবে সংগঠনের নিরিখে অনেক জায়গায় ধাক্কা খেতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। জেলার ছটি পুর এলাকার মধ্যে ৫ টিতে পল খারাপ তৃণমূলের। তার মধ্যে রয়েছে বোলপুরও। ভবিষ্যতে ভাল ফলের লক্ষ্যে ৪০ টি অঞ্চলের সভাপতিদের বদল করার খবর পাওয়া গিয়েছে। তার মদ্যে পুর এলাকাগুলিও রয়েছে। ভোটের আগে কর্মীসভার বৈঠকে অনুব্রত মণ্ডল লিড নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু ফলাফল বেরনোর পরে দেখা গিয়েছে অনেক জায়গাতেই কাঙ্খিত ফল আসেনি। যার ফলেই এই পরিবর্তন বলেও মনে করছেন, জেলার রাজনৈতি বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

সংগঠনই দলের শেষ কথা
অনুব্রত মণ্ডল বলেছেন, সংগঠনই দলের শেষ কথা। একদিকে যেমন দলকে জেতানোর দায়িত্ব নিতে হবে, অন্যদিকে দিনের পর দিন পদ আঁকড়েস থাকলেও চলবে না। জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি যেসব জায়গায় তৃণমূল জয়ী হয়েছে, সেইসব জায়গায় আত্মতুষ্টি যেন না তৈরি হয়, তা নিয়েও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বৈঠকে হাজির শতাব্দীও
প্রায় তিন বছর পরে অনুব্রত মণ্ডলের মুখোমুখি হয়েছিলে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। আগে দলের বৈঠকে না আসা প্রসঙ্গে বলেছেন, কাজের জন্য থাকতে পারেননি। রবিবার কাজ ছিল না তাই হাজির ছিলেন বৈঠকে। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপের জল্পনা কার্যত উড়িয়ে গিয়েছেন বীরভূমের সাংসদ। আর জেলার সংগঠনে পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, যেখানে দল হারবে সেখানে যিতি দায়িত্বে আছেন, তাঁকে সেখানে রাখার কোনও মানে হয় না।












Click it and Unblock the Notifications