ঘরে বাইরে সর্বত্র শত্রু, যে কোনও জায়গাতেই খুন হওয়ার শঙ্কা 'মমতা ঘনিষ্ট' কাজল শেখের

অনুব্রত মণ্ডলের জামানায় রীতিমত কোনঠাসা হয়ে পড়েন কাজল। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিপ্লব করলেও তেমন প্রকাশ্যে কিছু ই বলতে পারতেন। অনুব্রত জেলে যেতেই গর্জে উঠেছিলেন এই তৃণমূল নেতা।

আমার ঘরে বাইরে সর্বত্র শত্রু। আমি জানি যে কোনও জায়গাতেই আমি খুন হতে পারি। প্রকাশ্য এক জনসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন বীরভূমের তৃনমুল নেতা কাজল সেখ। আর এহেন মন্তব্যের পরেই বিতর্কের ঝড়। খোদ শাসকদলের হেভিওয়েট নেতা প্রাণনাশের আশঙ্কা করলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

শুধু তাই নয়, যেখানে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভুমের দায়িত্ব নিয়েছেন সেখানে কীভাবে এমন আশঙ্কায় রয়েছেন কাজল শেখ? তা নিয়েও প্রশ্ন বিজেপি সহ বিরোধীদের।

 মা আমার মাথায় তিনটে চুমা দেয়...

মা আমার মাথায় তিনটে চুমা দেয়...

আজ মঙ্গলবার বোলপুরে কঙ্কালীতলা এলাকাতে তৃণমূলের এক জনসভায় যোগ দেন হেভিওয়েট এই তৃণমূল নেতা। আর সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়েই কাজল শেখ বলেন, আমি যখন বাড়ি থেকে বের হই সেই সময়ে আমার গর্ভধারণি মা আমার মাথায় তিনটে চুমা দেয়...কেন দেয় তা ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তৃণমূল নেতা বলছেন, উনি ভাবেন হয়তো আমার ছেলেটা আর বাড়ি ফিরে আসবে না। কারণ কারণ আমার ঘরে শত্রু বাইরে শত্রু। আমি জানি যে কোন মুহূর্তে যে কোন স্থানে আমার প্রাণের বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে বিস্ফোরক দাবি কাজল শেখের। কিন্তু আমি ভয় পাই না বলে মন্তব্য তাঁর।

অনুব্রত মণ্ডলকেও একহাত

অনুব্রত মণ্ডলকেও একহাত

শুধু তাই নয়, নাম না করে এদিন অনুব্রত মণ্ডলকেও একহাত নেন কাজল শেখ। বলেন, আমার সামনে কোন হরিদাস পাল আছে তা আমার দেখার দরকার নেই। মা মাটি মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি অনুসরণ করে চলি আর সত্যের পথে থাকি বলেও এদিন মন্তব্য শোনা যায় তৃণমূল নেতার মুখে। কিন্তু খোদ প্রভাবশালী কাজল শেখ প্রাণনাশের আশঙ্কা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। কড়া ভাষায় রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

র তৃণমূল দলে আদি নেতা নানুরের কাজল সেখ

র তৃণমূল দলে আদি নেতা নানুরের কাজল সেখ

বীরভূমের তৃণমূল দলে আদি নেতা নানুরের কাজল সেখ। নানুরে সিপিএমের সঙ্গে লড়াই করে তৃনমূলকে শক্তিশালী তিনি। কিন্তু ২০১১ সালের পর অনুব্রত মণ্ডলের হাতে আসে দলের রাশ। আর এরপরেই কাজলকে কোনঠাসা করে দেন বীরভূমের বাঘ। বাম আমলের থেকেও বহুগুন বেশি মামলায় জর্জরিত হয়ে কাজল গ্রাম থেকে বার হন নি।তবে ববি হাকিম এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে সমর্থন করলেও দলে কোন সম্মান বা পদ দেয়নি ।অনুব্রত জেলে যাওয়ার পর কাজলকে দলে নেওয়া হলেও সেখানে তার সঙ্গী রামপুরহাটের আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অবস্থায় একদা রবিনহুডের অবস্থা শোচনীয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+