বাংলা ও তেলেঙ্গানায় থেকে পরিবারবাদ উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর, তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তের
বাংলা ও তেলেঙ্গানায় এখনও পরিবারবাদ রয়ে গিয়েছে। এই দুই রাজ্য থেকে পরিবারবাদ উৎখাতের জাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বীরভূমের সিউড়িতে অমিত শাহের সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী গর্জে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সামনেই নো ভোট টু তৃণমূল স্লোগান তোলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশান করে আক্রমণ শানান। একইসঙ্গে তিনি অমিত শাহের সামনেই তাঁরর স্তুতিতে পঞ্চমুখ হন।

অমিত শাহকে প্রশংসাসূচক বাক্যে ভরিয়ে দেন তিনি। তিনি বলেন, শুধু বাংলা আর তেলেঙ্গানা দুটি রাজ্যে পরিবারতন্ত্র রয়ে গিয়েছে। আমাদের নেতা অমিত শাহজির নেতৃ্ত্বে এই দুই রাজ্য থেকেও পরিবারতন্ত্র উৎখাত হবে। আর তা করতে পারে একমাত্র বিজেপি।
শুক্রবার সিউড়ির বেণীমাধব স্কুলের মাঠে অমিত শাহের সভার আয়োজন হয়েছিল। সেই সভায় অমিত শাহের সামনেই বাংলায় বিজেপির ডান হাত ও বাম হাত শুভেন্দু ও সুকান্ত তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেন। তাঁদের বিশ্বাস অমিত শাহের নেতৃত্বেই বাংলা তৃণমূল মুক্ত হবে।
পরিবারবাদ মুক্ত করার ডাক দিয়ে শুভেন্দু বলেন, বাংলা আর তেলেঙ্গানা থেকে পরিবাবতন্ত্র বিলুপ্ত হবে অমিত শাহজির হাত ধরেই। সেদিন আর বেশি দূরে নয়। এদিন অমিত হারে এক পাশে বসেন শুভেন্দু অধিকারী, অন্য পাশে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় চার আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটিয়ে দলে ফেরানো হয়েছিল। বাকি যাঁরা বিজেপিতে এসেও তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন, তাঁদের কি দণ্ডি কাটানো হয়েছিল। মুকুল রায়ও তো বিজেপিতে এসেছিলেন আবার তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন তাঁকেও দণ্ডি কাটানো হয়!
এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তোলেন, যাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে কি দণ্ডি কাটানো হয়েছিল, নাকি এই চার মহিলা আদিবাসী বলেই তাঁদের এই শাস্তি দেওয়া হল? আদিবাসী মহিলা বলেই কি এই শাস্তি জুটল তাঁদের কপালে?

আর মাসখানেকের মধ্যেই বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের বাদ্যি বাজতে চলেছে। তার আগে বীরভূমকে পাখির চোখ করে অমিত শাহ বাংলা সফরে এসেছিলেন। বীরভঊমের বেতাজ বাদশা তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলে। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগ নিতেই টার্গেট বীরভূম।
তবে এদিনের সভা থেকে তিনি পঞ্চায়েত নিয়ে বেশি কিছু বলতে শোনা যায়নি। বরং তাঁর কথায় উঠে এসেছেন ২০২৪-এর প্রসঙ্গ। ২০২৪-এ মোদীজিকে জেতাতে ৩৫ আসন দাবি করেন বাংলা থেকে। সেইসঙ্গে বলেন, ২০২৪-এ ৩৫ আসন বিজেপিকে দিলে ২০২৫-এ বাংলার সরকার পড়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications