কেষ্টহীন বীরভূমে প্রথম বসবে 'শাহ' দরবার, চাঁদি ফাটা গরমে জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ গেরুয়া শিবিরে
বাইরে চাঁদি ফাটা গরম। ৪০ ডিগ্রিতে তপ্ত বীরভূমের লালমাটি। আজ সেখানেই অমিত শাহের হাইভোল্টেজ সভা। কেষ্টহীন বীরভূমে প্রথম সভা করবেন তিনি। কিন্তুু এই প্রচণ্ড দহনে কতটা সফল হবে সেই সভা তাই নিয়ে উদ্বেগে বিজেপিও।
আজ কেষ্টর গড়ে বসছে শাহি দরবার। অমিত শাহ সভা করবেন বীরভূমে বেনীমাধব হাইস্কুলের মাঠে সভা করার কথা অমিত শাহের। বাইরে তাপমাতা ৪২ ডিগ্রি। তারমধ্যেই দুপুর আড়াইটে থেকে সভা করবেন তিনি। এই তীব্র গরমের মধ্যে অমিত শাহের এই সভায় জমায়েত কতটা সফল হবে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে বিজেপি।

৪২ ডিগ্রিতে পুড়ছে বীরভূম। দুপুর থেকে বইবে লু। আগেই সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সকাল ১০টার পর আর বাড়ি থেকে বেরনোর সাহস দেখাচ্ছেন না বীরভূমের মানুষ। একে তাপ প্রবাহ তার উপরে আবার লুয়ের দাপট। গরমের ভয়ে সকাল সকাল কাজ সেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন সকালে। দুপুর ১২টা থেকে শুনশান রাস্তা।
এই তীব্র গরমের মধ্যে সভা করবেন অমিত শাহ। তাও ৩টে নয় এবারে মধ্য গগনে যখন সূর্য ঠিক তখন সভা করবেন তিনি। দুপুর আড়াইটে থেকে হবে সভা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে অমিত শাহের এই সভায় লোক ভরানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বঙ্গ বিজেপির কাছে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের এই রোগে গরমের মধ্যে কীভাবে আনা হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এই গরমের মধ্যে তাঁরা অতক্ষণ বসে থাকবেন কীভাবে তা নিয়েই সংশয় দেখা গিয়েছে।

গোটা মিটিং স্থল কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলেও তাপ তো থাকবেই। সেই তাপ বড় বড় ঝড় ফ্যান দিয়েও কমানো সম্ভব নয়। অমিত শাহের জন্য মঞ্চে ব্যবস্থা করা হলেও সাধারণ বিজেপি সমর্থকদের জন্য তো ঠান্ডা হাওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। কাজেই কেষ্টহীন বীরভূমে সুপার ফ্লপ সভা হবে না তো অমিত শাহের?
অনুব্রতহীন বীরভূমে প্রথম পা রাখতে চলেছেন অমিত শাহ। এর আগে একুশের ভোটের প্রচারে বোলপুরে ব়্যালি করে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন অমিত শাহ। ডাক বাংলো মাঠ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত করেছিলেন ব়্যালি। তার পাল্টা চ্যালেঞ্জ নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোকে সঙ্গে করে মহামিছিল করে শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই বীরভূম এখন কেষ্টহীন। সেখানে কতটা দাপট অমিত শাহ দেখাতে পারবেন সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে তিহাড় েজলে ঠাঁই হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের। কেষ্ট না থাকলেও তাঁর ছায়া যে বীরভূমে রয়ে গিয়েছে তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সেকারণেই এখনও পর্যন্ত বীরভূমের দায়িত্ব কাউকে দেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজের হাতেই রেখেছেন দায়িত্ব।
এদিকে কেষ্টহীন বীরভূমে একে একে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। কাজল শেখের মুখে শোনা যাচ্ছে কেষ্টর সুর। একের পর এক হুমকির বার্তা দিয়ে চলেছেন তিনি। যদিও সাংগঠনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূম নিয়ে কড়া বার্তাই দিয়েছেন। কোনও রকম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করবে না দল।












Click it and Unblock the Notifications