ভুল করেছি ‘ওইভাবে’ ভোট করিয়ে! প্রকাশ্য সভায় স্বীকারোক্তির ভিডিও ভাইরাল তৃণমূল নেতার
ভুল করেছি ‘ওইভাবে’ ভোট করিয়ে! প্রকাশ্য সভায় স্বীকারোক্তির ভিডিও ভাইরাল তৃণমূল নেতার
পুরসভা ভোট সামনেই। কলকাতা-হাওড়া পুরসভা ভোটের পর রাজ্যের বাকি পুরসভার ভোটও হবে খুব শীঘ্রই। তার আগে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রশাসক প্রকাশ্য সমাবেশে যে বিবৃতি দেন, তাতে তৃণমূলের অস্বস্তি বেড়েছে। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রশাসক শঙ্কর আঢ্য প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেন তিনি রিগিং করে তৃণমূলকে জিতিয়েছিলেন।

রিগিং করে তৃণমূলকে জিতিয়েছিলেন! ভুল স্বীকার
শঙ্কর আঢ্য বলেন, ২০১৫ সালে বনগাঁর একটি ওয়ার্ডে রিগিং করে তৃণমূলকে জিতিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি মিলনপল্লির একটি সভাতে তিনি স্বীকার করে নেন ২০১৫ সালে নির্বাচনে রিগিংয়ের কথা। সেই কাজের জন্য তিনি জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। তাঁর এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ভুল করেছি, তবে নিজের ইচ্ছায় করিনি
শঙ্কর আঢ্য প্রকাশ্য সভায় বলেন, আমি রাজনৈতিক জীবনে যদি কোনও রাজনৈতিক ভুল করে থাকি, তাহলে তা করেছি ২০১৫ সালের পুরভোটের সময়। তবে সেই ভুল আমি নিজের ইচ্ছায় করিনি। দলের জেলা নেতৃত্বের নির্দেশেই আমি এই কাজ করেছিলাম। সভায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন হাতে তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা করেছিলেন সেদিনের ঘটনা।

ভুল করেছিলাম, তার জন্য ক্ষমা চাইছি
২০১৫ সালের পুরভোটে ভোটে বনগাঁ হাইস্কুলের ওই বুথে হেরে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। বামফ্রন্ট ওই বুথে তখন অনেক শক্তিশালী ছিল। জেলার এর প্রিয়মন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গিয়েছিলাম সেখানে। আমি দাঁড়িয়ে তেকে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট করেছিলাম। সেদিন যে কাজ করেছিলাম, তার জন্য আজ অনুশোচনা হয়। সেদিন ভুল করেছিলাম। তার জন্য ক্ষমা চাইছি।

ভুল স্বীকার করে কাঠগড়ায় তুললেন নেতাকে
শঙ্কর বলেন, ভুল করেছি। তা স্বীকার করে ক্ষমা চাইছি। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া কোনও অপরাধ নয়। এদিকে নাম না করলেও শঙ্কর আঢ্যর তির যে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দিকে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন জেলা সভাপতি এবং রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী। তিনি অবশ্য এ বিষয়ে কোনও মুখ খোলেননি এখনও।

ভুল স্বীকার করেছেন ভালো, দোষারোপ গর্হিত
অবশ্য উতত্র ২৪ পরগনার জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এ ব্যাপারে জানিয়েছে শঙ্কর আঢ্যের এই মন্তব্যের সঙ্গে দল সহমত নয়। তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি আলোরানি সরকার বলেন, ক্ষমা চাওয়া অপরাধ নয়। ক্ষমা চেয়েছেন ভালোই করেছেন। তবে তিনি যেভাবে কারও নির্দেশে একাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন, তা ঠিক নয়। অন্য কাউকে দোষারোপ করে তিনি গর্হিত কাজ করেছেন।

তৃণমূলের জেতার জন্য রিগিংয়ের দরকার নেই
আলোরানি সরকার বলেন, আমি তিনমাস জেলার দায়িত্ব নিয়েছি। ২০১৫ সালে কী হয়েছে বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে সারা রাজ্যের মানুষ ভোট দেন। বনগাঁতেও তার ব্যতিক্রম হয় না। তৃণমূলের জেতার জন্য রিগিংয়ের দরকার হয় না। বাংলার মানুষ দুহাত তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করেছেন।
-
'সবকিছু উড়িয়ে দেব', মঙ্গলবারের ডেডলাইন শেষের আগেই ইরানকে ফের চরম হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের -
সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অডিও ক্লিপ শোনাল কমিশন, কড়া অবস্থান বিচারপতির -
আমেরিকা-ইরানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা! সাময়িক পরিকল্পনা হলে হরমুজ প্রণালী খুলবে না, জানাল তেহরান -
দিঘায় যাওয়ার গ্রীষ্মকালীন বিশেষ ট্রেন চালুর ঘোষণা রেলের -
আর্টেমিস অভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীরা যোগাযোগ হারাবেন পৃথিবীর সঙ্গে! -
কেরল বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: সমীক্ষায় ইউডিএফের এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস, হারার ইঙ্গিত এলডিএফের -
ইডেনে প্রবল বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল পাঞ্জাব ম্যাচ, বরুণ দেবের কৃপায় পয়েন্টের খাতা খুলল কেকেআর -
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আনা ইমপিচমেন্ট মোশন খারিজ সংসদে












Click it and Unblock the Notifications