মাধ্যমিকে সম্ভাব্য মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুরের ছয় জন, স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না পড়ুয়ারা
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের নাম সব সময়ই জ্বলজ্বল করে। চলতি বছর ২০২৪ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হল বৃহস্পতিবার। সম্ভাব্য মেধা তালিকায় জ্বাজ্জল্যমান এই স্কুল।
মেধা তালিকায় প্রথম ১০ জনের মধ্যে ছয় জন এই স্কুলের। সম্ভাব্য তৃতীয়, ষষ্ঠ, সপ্তম, নবম ও দশম স্থান অধিকার করেছে এই স্কুলের কৃতিরা। সম্ভাব্য নবম স্থানে দুই জন আছে। দুই ছাত্রই এই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের।

প্রতি বছর এমন সাফল্যের কারণ কী? কোন রসায়ণ লুকিয়ে রয়েছে স্কুলের মধ্যে? এই কথা শুনে মৃদু হেসেছেন প্রধান শিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ। এবারও এই সাফল্যে তাঁর চেহারায় আনন্দ ধরা পড়েছে। নিয়মানুবর্তিতা হল অন্যতম কারণ, জানিয়েছেন মাস্টারমশাই।
এখন স্মার্টফোনের যুগ। ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন এই বিষয়ের ঘোর বিরোধী। এই স্কুলের ছাত্রদের আবাসিক হিসেবে থাকতে হয়। ছাত্রদের হাতে কোনও স্মার্টফোন দেওয়া হয় না। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ফোনের প্রয়োজন নেই৷ এই কথা বৃহস্পতিবারও জানালেন প্রধান শিক্ষক।
একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনার জন্য কিছু ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়৷ সেই সময় কম্পিউটারে তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ফোন ব্যবহার না করা, সাফল্যের একটা বড় কারণ। মনে করেন প্রধান শিক্ষক।
ছাত্ররা একে অপরকে পড়াশোনায় সব সময় সাহায্য করে। শিক্ষকরাও প্রত্যেক পড়ুয়ার প্রতি যত্নবান। শরীরচর্চা, খেলাধুলোর মধ্যেও ছাত্ররা থাকে। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে এসেও পরীক্ষার্থীরা মাঠে খেলতে যায়। কেবল পড়াশোনা নয়। খেলা, শরীরচর্চার মধ্যে দিয়েও যায় পড়ুয়ারা। মানসিক ও শারীরিক বিকাশ হয় ছাত্রদের। দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ।
এবার রাজ্যে প্রথম ১০ জনের সম্ভাব্য মেধা তালিকায় এই স্কুলের ছয় জন আছে। তারা হল তৃতীয় স্থানে নৈরিত রঞ্জন পাল (৬৯১)। ষষ্ঠ অলিভ গায়েন (৬৮৮), সপ্তম আলেখ্য মাইতি (৬৮৭)। নবম হয়েছেন দুজন, ঋতব্রত নাথ, ঋত্বিক দত্ত (৬৮৫)। দশম শুভ্রকান্তি জন (৬৮৪)।












Click it and Unblock the Notifications