Sandeshkhali: তৈরি কেন্দ্রীয় বাহিনী! শেখ শাহজাহানকে ধরতে রাজ্যকে সাহায্য করতে তৈরি শাহের মন্ত্রক
Sandeshkhali: সন্দেশখালির ঘটনা সামলাতে রাজ্যকে সাহায্যে করতে তৈরি কেন্দ্র! এমনকি এলাকার 'বেতাজ বাদশা' শেখ শাহজাহানকে ধরতেও তৈরি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনটাই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। একই সঙ্গে বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।
বলেন, বাংলায় (Sandeshkhali) সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা। বাংলায় একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এমন অত্যাচার করা হচ্ছে। যা লজ্জাজনক বলে মন্তব্য কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর।

গত কয়েকদিন হয়ে গেল উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। নতুন করে এলাকার ত্রাস শিবুর গ্রেফতারি চেয়ে পোস্টার পড়েছে এলাকায়। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে সেখানকার মহিলাদের। ঘটনা ঘিরে প্রশ্নের মুখে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারকে সবরকম ভাবে সাহায্যের বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম ভাবে সাহায্য করতে প্রস্তুতি। তৈরি আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
শেখ শাহজাহান সহ দুস্কৃতীদের খুঁজতেও রাজ্যকে সবরকম ভাবে কেন্দ্র সাহায্য করবে বলেও মন্তব্য করেছেন নিশীথ প্রামাণিক। তবে বাংলার আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
কখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনার দায় এড়াতে পারে না বলে দাবি শাহের ডেপুটির। মহিলাদের সঙ্গে হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনায় বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেছে জাতীয় তফশিলি কমিশন। বৃহস্পতিবার এলাকায় পৌঁছন কমিশনের আধিকারিকরা।
গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। আর সেই সময় স্থানীয় প্রশাসন কোনও সাহায্য তাঁদের করেননি বলেই দাবি করেছেন কমিশনের প্রধান অরুণ হালদার। তাঁর দাবি, গোটা এলাকা (Sandeshkhali) ঘুরে মনে হয়েছে সেখানে প্রশাসন এবং দুস্কৃতীরা মিলে এলাকায় তান্ডব চালাচ্ছে। মানুষ কথা বলতে ভয় পাচ্ছে। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে রাতেই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। আর আজ তা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কমিশনের চেয়ারম্যান।
যা নিয়ে (Sandeshkhali) শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বাংলাকে কালিমালিপ্ত করতেই এই ঘটনা বলে দাবি করেছে তৃণমূল। ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল নেতা শান্তনু সেনের। যদিও এহেন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications