Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

'ব্যর্থ প্রশাসন, খাতায়-কলমে নিরাপত্তা', সম্পূর্ণ কর্মবিরতিতে সাগর দত্ত হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকেরা

সাগর দত্ত হাসপাতালের (Sagar Dutta Medical College and Hospital) জুনিয়র চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, তাঁরা বারবার চেষ্টা করছিলেন যাতে আন্দোলন থেকে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণরূপে কাজে ফিরতে পারেন। তবে যেভাবে তাঁদের প্রতি পদে ধাক্কা খেতে হচ্ছে এবং বিশেষ করে এই দিনের ঘটনার পর, তাঁরা মনে করছেন, তাঁদের আবেদনকে কেউ সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না। ফলে সম্পূর্ণ কর্ম বিরতিতে যাওয়া ছাড়া তাদের হাতে আর কোনও পথ খোলা নেই। রাজ্য সরকার অথবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের কথা শুনছেন না। অতএব নিজেদের বাঁচাতে কর্মবিরতিই সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্র।

একইসঙ্গে তাঁরা জানাচ্ছেন, এই মুহূর্তে রাজ্য জুড়ে চিকিৎসকদের আন্দোলন চলছে। এই অবস্থার মধ্যেও যদি তাঁদের ওপর হামলা হতে পারে, তাহলে আন্দোলন যখন উঠে যাবে তখন তাঁদের নিরাপত্তা কতটা থাকবে! ফলে সেই জায়গা থেকে জুনিয়র চিকিৎসকেরা সাগর দত্ত হাসপাতালে সম্পূর্ণ কর্ম বিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একইসঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, ছেলেভোলানো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে হাসপাতালে। মৌখিক কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যা বাস্তবায়ন হয়নি। এর দায় সম্পূর্ণরূপে রাজ্য প্রশাসনের। ফলে ফের হামলার ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা।

সাগর দত্ত হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসরা জানিয়েছেন, এই ঘটনার অব্যবহিত পর থেকেই তাঁরা সম্পূর্ণ কর্ম বিরতিতে যাচ্ছেন। অভয়ার মৃত্যুর জন্য দায়ী হাসপাতালের ভঙ্গুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা। তাই নিরাপত্তার দাবি জানিয়েই আন্দোলনে নেমেছিলেন চিকিৎসকেরা। সেই নিরাপত্তার প্রশ্নে ফের একবার তাঁদের হাসপাতালে কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়তে হল।

এদিন যেভাবে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে দুষ্কৃতী হামলা হয়েছে তা নিয়ে আতঙ্কিত সাগর দত্ত হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকেরা। তাঁরা বলছেন, আর কোনও অভয়ার ঘটনা ঘটুক এমনটা তাঁরা চান না। কারণ এদিন মহিলা ওয়ার্ডে ঢুকেই মহিলা ইন্টার্ন এবং হাউস স্টাফদের উপর আক্রমণ করে রোগীর আত্মীয়রা। হাত ধরে টানাটানি করা হয়। এমনকী ফের একবার আরজি করের ঘটনা ঘটিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

চিকিৎসকদের অভিযোগ, এক মহিলা পিজিটিকে আক্রমণ করে রোগীর আত্মীয়রা। তিনি যখন হাসপাতালের একটি ডিউটি রুমে ঢুকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর হাত ধরে টানাটানি করেন। ওই ব্যক্তি বলে ওঠেন, ' সিপিআর দে, না হলে আরজিকর করে দেব'।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে কাজ করতে এসে এরকম ভয়ঙ্কর ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। হাসপাতালে রোগীর কী চিকিৎসা হচ্ছে তার জন্য একটি রেজিস্টার মেনে কাজ করা হয়। তাতে পরপর চিকিৎসা প্রণালী এবং ওষুধ লেখা থাকে। রোগীর আত্মীয়রা কোনও অভিযোগ করতেই পারেন। তবে হাসপাতালে সেই মুহূর্তের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের কাজটি ঠিকমতো করেছেন কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। কোনও কিছু না জেনেই আগে থেকে শুধুমাত্র অভিযোগের বসে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনা বিশেষ করে আরজি করের অভয়ার মৃত্যুর পরে আর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যতক্ষণ না হাসপাতালে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, ততক্ষণ কাজে ফিরবেন না সাগর দত্ত হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকেরা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+