বিধায়কের বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীকে পরামর্শের ছলে হুমকির অভিযোগ! দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে ওষুধ চান অর্জুন
Arjun Singh: লোকসভা ভোট আগামী বছর। ব্যারাকপুর থেকে বিজেপির টিকিটে জেতা অর্জুন সিং ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরেছেন। আর তারপরই তাঁর সংসদীয় এলাকার জগদ্দল বিধানসভায় বেশি সময় দিতে হচ্ছে সাংসদকে।
অর্জুন বিজেপিতে যাওয়ার পরই তৃণমূলে উত্থান সোমনাথ শ্যামের। তিনি বিধায়কও হন। যদিও এই বিধায়ক সাম্প্রতিককালে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন। ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে পরিত্রাতার ভূমিকায় নামতে হচ্ছে অর্জুনকে।

ভাটপাড়া পুরসভায় চেয়ারম্যান পদে বসে রয়েছেন বিধায়কের মা রেবা রাহা। পুরসভায় নাগরিক পরিষেবা তলানিতে। বেশিরভাগ বেআইনি কাজকর্ম চলছে। পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাডাঙ্গায় সম্মেলনী ক্লাবের কাছে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের দখলদারি নিয়ে শুরু হয়েছে আচমকা বির্তক। অভিযুক্ত দলেরই একাংশ। বিধায়কের মদতেই এই কাজ বলে অভিযোগ।
দলের কার্যালয়ে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানার ঝুলিয়ে দিতেই ক্ষোভ ছড়ায়। দিল্লি থেকে ফিরেই সেখানে পৌঁছে যান সাংসদ অর্জুন সিং। ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর দেবপ্রসাদ সরকার, তৃণমূল নেতা মন্নু সাউ ও অন্যান্যরা। অর্জুন বলেন, সিপিআইএম আমলে যখন কোথাও কোনও বসার জায়গা ছিল না এটাই ছিল আমাদের দলীয় কার্যালয়। তখন কোনও তৎকাল তৃণমূল নেতাকে দেখা যায়নি।

অর্জুনের তৎকাল নেতা যে সোমনাথই বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। সাংসদ বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের পার্টি অফিস মিলের গেটের সামনে হয়। তেমন অফিস আছে। পুরানো পার্টি অফিসে নতুনরাও এসে বসছেন। সেখানে এমন ট্রেড ইউনিয়নের ব্যানার ঝোলানোর কাজ যারাই করুক তাতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। বর্ষা এলে মশা-মাছি, ডেঙ্গুর উৎপাত বাড়লে। ওষুধ স্প্রে করলেই ঠিক হয়ে যাবে।
বিষয়টি নিয়ে বিধায়কের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে একটি অডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি ওয়ানইন্ডিয়া বাংলা)। অভিযোগ, জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে সেটি এক তৃণমূল কর্মীর কথোপকথন। সোমনাথের কাজকর্ম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন দলেরই দীর্ঘদিনের কর্মী। তাঁকে ফোন করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন সোমনাথ।

পরামর্শের ছলেই বিধায়ক হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি ব্যারাকপুর লোকসভা এলাকার মধ্যেই একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। অর্জুন বলেছিলেন, ডন নামের যিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনি তৃণমূলের কেউ নন। তিনি একজন দুষ্কৃতী, পুরানো কোনও শত্রুতার জেরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
যদিও সোমনাথ ভাইরাল অডিওতে বলেছেন, সাংসদ ডনকে দুষ্কৃতী বললেও, তিনি তৃণমূলী। পাশে থাকার বার্তা দেন বিধায়ক। যা ঘিরে সাংসদ বনাম বিধায়ক দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে।












Click it and Unblock the Notifications