ভয়ঙ্কর ডায়েরিয়ার প্রকোপ কামারহাটি পুর এলাকাতে! সাগরদত্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৭০, মৃত দুই
করোনা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই থাবা বসাল ডায়রিয়া। কামারহাটির একাধিক ওয়ার্ডে ভয়ঙ্কর ডায়রিয়ার প্রকোপ। আর এতে ক্রমশ বাড়ছে অসুস্থতার সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত পেটে ব্যাথা এবং বমির উপসর্গ নিয়ে ৭০ জনের বেশি রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে।
করোনা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই থাবা বসাল ডায়রিয়া। কামারহাটির একাধিক ওয়ার্ডে ভয়ঙ্কর ডায়রিয়ার প্রকোপ। আর এতে ক্রমশ বাড়ছে অসুস্থতার সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত পেটে ব্যাথা এবং বমির উপসর্গ নিয়ে ৭০ জনের বেশি রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে পতিস্থিতি সামল দিতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে সাগরদত্ত হাসপাতালের চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য কর্মীরা।

প্রতি মুহূর্তে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে ইতিমধ্যে দুজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। পেটে ব্যাথা নিয়েই হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে হাসপাতাল সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ৭০ জন রোগীর মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাওয়ার মতো অবস্থা। এরপর যদি আরও রোগী আসে তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে চিন্তায় ডাক্তার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য কর্মীরা। ইতিমধ্যে সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সমস্ত বিভাগ থেকে দ্রুত হাসপাতালে আসতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসছেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা।
অন্যদিকে কীভাবে এলাকাতে ভয়ঙ্কর ভাবে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা। তবে প্রাথমিক অনুমান জল থেকেই এমন ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে ডায়রিয়া। জানা গিয়েছে, কামারহাটির ২ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডায়েরিয়ার প্রকোপ সবথেকে বেশি। ইতিমধ্যে পুরসভার তরফে ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হিয়েছে। জলের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
তবে যতক্ষণ না জলের নমুনা পরীক্ষা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ততক্ষণ পুরসভার জল না খাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তবে কেএমডিএ না কামারহাটি জুট মিলের জল থেকে সংক্রমণ? সেটা নিয়ে ভাবাচ্ছে পুরসভার আধিকারিকদের।
অন্যদিকে কামারহাটি পুরসভার সমস্ত ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে মাইকিং করে প্রচার করা হচ্ছে। জলের নমুনা সংগ্রহ করতে নাইসেডের আধিকারিকদেরও ডেকে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে পুরসভার তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, বমি কিং পেটে ব্যাথা হলে দ্রুত চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কামারহাটি পুরসভার পুর-প্রশাসক গোপাল সাহা। অন্যদিকে এই পরিস্থিতি তৈরি হতেই জল নিয়ে কালো বাজারি শুরু একাংশের অসাধু ব্যবসায়ীদের। সাধারন প্যাকেটযা জল যেখানে ৩৫ টাকা ৪০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছিল সেখানে কালো বাজারি করে ৫০ টাকাতে বিক্রি করা হচ্ছে এই জল।












Click it and Unblock the Notifications