CAA: শান্তনু ঠাকুরের পরে সিএএ নিয়ে বড় ঘোষণা সুকান্ত মজুমদারেরও
Citizenship Amendment Act: দু'হাজার চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সিএএ লাগু হয়ে যাবে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতি তাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি আরও বলেছেন, অমিত শাহ যদি বলে থাকেন সিএএ-র বাস্তবায়ন করবেন, তাহলে তিনি তা অবশ্যই করবেন। সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ এটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও এক্তিয়ার নেই। তিনি বলেছেন, কে নাগরিক হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের।
প্রসঙ্গত ২০১৯-এ নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই .সংসদে সিএএ পাশ করানো হয়। রাষ্ট্রপতিও এই বিলে সম্মতি দেন। তারপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারি সম্পত্তির প্রভূত ক্ষতি করেন বিক্ষোভকারীরা। নরেন্দ্র মোদী সরকার প্রবর্তিত সিএএ-তে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্থান থেকে ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্সিদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, সারা দেশে উদ্বাস্তু রয়েছে। মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, পাকিস্তানে বসবাসকারী সংখ্যালঘু হিন্দুদের যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে ভারত তা উপেক্ষা করতে পারে না। সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ১৯৪৫ সাল থেকে হিন্দু শরণার্থীদের যে দাবি ছিল তা পূরণ হতে চলেছে। তিনি আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সিএএ বাস্তবায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা পূরণের সময় এসেছে।
শুভেন্দু অধিকারী সোমবার বলেছেন, তিনি যতদূর জানেন, সাত থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সিএএ লাগু করার চেষ্টা হচ্ছে। সেখানে উদ্বাস্তুরা সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। খুব তাড়াতাড়ি তা লাগু করা হবে। মার্চে নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যেতে পারে, তাই ফেব্রুয়ারিতে এই আইন চালুর ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইন সারা দেশে চালু হলে তার জন্য বাংলায় বিজেপি আলাদা করে বিজয় উৎসব পালন করবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি। এব্যাপারে রাজ্য জুড়ে বিজয় মিছিল করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে সিএএ নিয়ে ডেটলাইন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেছিলেন, লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে, এই আইন নির্বাচনের আগে চালু করা হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই রাজ্যে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তার আগে অবশ্য শান্তনু ঠাকুর লোকসভা নির্বাচনের আগে নাগরিকত্ব আইন চালু নিয়ে জোরাল দাবি করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications