Nagerbazar Fire: গোডাউনে মজুত ৪০ টি সিলিন্ডার, অগ্নিকাণ্ডের তদন্তের নির্দেশ দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর
নাগের বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্থল ঘুরে দেখলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে একের পর এক গো ডাউন এবং কারখানা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে আইসক্রীমের কারখানা থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
একই জায়গায় অনেক কোম্পানির গো ডাউন ছিল। গেঞ্জির কারখানাও ছিল সেখানে। সব পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে একটি গো ডাউনে ৪০ টি গ্যাসের সিলিন্ডার মজুত করা ছিল। প্রায় ঘণ্টা চারেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন।

পুরো গোডাউন এবং কারখানা পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। দমকলমন্ত্রী ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে বলেছেন এতোগুলো গোডাউন এবং কারখানা একসঙ্গে থাকার পরেও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না সেখানে। এবং আগুন লাগার ১ ঘণ্টা পরে দমকলের কাছে খবর গিয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে আইসক্রীম কারখানা থেকেই আগুন ছড়িয়েছে। তদন্তের পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।
এদিকে নাগের বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুজোর মুখে কর্মহীন হয়ে পড়লের কয়েকশো শ্রমিক। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে অনেকেই ছুটে এসেছিলেন সেখানে। আবার অনেকে প্রতিদিনের মতো কাজ করতে এসে দেখেন কাজ হবে না আর। কবে কারখানা খুলবে। কবে টাকা পাবেন তার চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা।
শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। গোডাউন এবং কারখানা গুলি একেবারে গায়ে গায়ে থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বৃষ্টির মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একে একে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছয়। কিন্তু প্রচুর দাহ্য পদার্থ ভেতরে থাকায় পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে গোটা কারখানা এবং গো ডাউন। ভেঙে পড়েছে কারখানার টিনের ছাদ। কারখানার পাঁচিলের একাংশও ভেঙে পড়েছে।
দমকলমন্ত্রী জানিয়েছে কলকাতা শহরে এর আগে যত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সবগুলির তদন্ত করা হয়েছে। যারা আইন মেনে কাজ করেননি তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে।এর আগে কলকাতা শহরের বড় বাজার থেকে শুরু করে, পার্ক স্ট্রিট, ধাপার মাঠ এমনকী অ্যাক্রোপলিস মলেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তাতে অধিকাংশ জায়গাতেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকার অভিযোগ উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications