ডাকাত-পুলিশের খেলায় দর্শক মন চুরি করল কে! 'সোন চিড়িয়া' কোন গল্প শোনাচ্ছে
এমন কিছু লড়াই আছে যার ওপরের মোড়কে যা দেখা যায় তার থেকে অনেক আলাদা আসল ঘটনা। যুদ্ধের আন্তরালটা এক্কেবারে অন্যরকমের হয়।
এমন কিছু লড়াই আছে যার ওপরের মোড়কে যা দেখা যায় তার থেকে অনেক আলাদা আসল ঘটনা। যুদ্ধের আন্তরালটা এক্কেবারে অন্যরকমের হয়। তেমনই এক লড়াইয়ের কথা বলছে অভিষেক চৌবের 'সোনচিড়িয়া'। ডাকাত-পুলিশের লড়াইয়ের মধ্যেও এই কাহিনির অন্তরালে থেকে গিয়েছে, ন্যায় -অন্যায়, সমাজিকতা, জাতি বিদ্বেষের ভাবনা। সেই সমস্ত দিক মিলেয়ে এক টিকে থাকার লড়াইয়ের জাল বুনেছে 'সোনচিড়িয়া"র গল্প। সুশান্ত, ভূমি, মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত এই ছবি কোনো কাহিনি বলছে দেখে নেওয়া যাক।

চিত্রনাট্য
এই গল্পের লড়াইয়ে মুখ্যচরিত্র মূলত ২ জন। চম্বল এলাকার ডাকাত সর্দার মান সিং (মনোজ বাজপেয়ী) এর সঙ্গে আলো ছায়ার লড়াই চলে পুলিশ কর্মী বীরেন্দ্র গুজ্জরের। আর চার পাঁচটা ডাকাত পুলিশের মতোই সম্পর্ক তাঁদের। কিন্তু এই লড়াইয়ে মধ্য়ে চলে আসে লখন সিং (সুশান্ত সিং রাজপুত), ভকিল সিং এর মতো মানুষ । যাঁরা সমাজে জাতি বিদ্বেষের শিকার। কখনও সমাজ কখনও রাজনীতি এঁদের শুষে নিয়েছে নিজের মতো করে। তার মধ্যে পড়ে গিয়েছে কয়েকটি জীবন, আর শেষ হয়েছে বহু প্রাণ। ১৯৭৫ এর প্রেক্ষাপটে এই ছবি জরুরি অবস্থার সময়ে উত্তরপ্রদেশের ডাকাতদের পরিস্থিতি তুলে ধরেছে ছবি।

পরিচালনা
ছবিতে দেশের এক অগ্নিগর্ভ সময়ের পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন পরিচালক অভিষেক চৌবে। তবে সেই প্রেক্ষাপট থেকে এই ছবির গল্প যতটা রুদ্ধশ্বাস হতে পারত, ঠিক ততটা হতে পারেনি। ছবির গল্পের বুনোট অনেকটাই আলগা হয়েছে। গল্পকে কোথাও কোথাও ছাপিয়ে গিয়েছে চরিত্র।

অভিনয়
ছবিতে অসামান্য অভিনয় দক্ষতায় আবারও মুগ্ধ করেছেন মনোজ বাজপেয়ী। একইরকমভাবে তিনি রণবীর শোরে থেকে ভূমি পেনধরকরও মন মজিয়েছেন দর্শকদের। তবে সুশান্ত সিং রাজপুতকে এই ছবিতে খানিকটা ফিকে লেগেছে ।

সবশেষে
ছবিতে অসামান্য অভিনয়, সিনেমাটোগ্রাফি ছাড়া সেভাবে পাওনার ঝুলি ভরাতে পারেননি পরিচলাক অভিষেক চৌবে। গল্পের পরতে এক বার্তাকে বাঁঝতে গিয়ে খানিকটা বেসামাল হয়েছে গিয়েছে গল্পের বাঁধন।












Click it and Unblock the Notifications