বাংলায় ১০০ জনসভা! পঞ্চায়েত নির্বাচন নয়, ২০২৪ লোকসভার লক্ষ্যমাত্রা ফিক্সড করে দিল বিজেপি
বাংলায় একুশের ভোটে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। তারপর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে পুর-নির্বাচন সবেতেই শোচনীয় ব্যর্থ। তাই ঘুরে দাঁড়াতে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ডেঙিয়ে আসন্ন লোকসভা ভোটকেই টার্গেট করছে বঙ্গ বিজেপি। বাংলায় অন্তত ১০০ জনসভা করার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
সম্প্রতি কর্নাটক নির্বাচনে ধাক্কা খেতে হয়েছে বিজেপিকে। কংগ্রেসের কাছে গোহারা হারতে হয়েছে। এই অবস্থায় আর এক বছরও বাকি নেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের। তাই বিজেপি এবার অনেক সতর্ক। তারা রাজ্যে রাজযে টার্গেট বেঁধে দিচ্ছেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জেতার উদ্দেশে।

বিজেপির এই টার্গেট বেঁধে দেওয়াই প্রমাণ করেছে, বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে নয়, মোদী-শাহদের লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। মোদী সরকারের ৯ বছর পূর্তিতে তাই আগামী এক বছর কঠিন টাস্ক দিলেন বিজেপির নেতারা। বঙ্গ নেতৃত্বের জন্য কঠিন লক্ষ্য দিয়েছে বিজেপি।
বঙ্গ বিজেপিকে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে, প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে সভার আয়োজন করতে হবে। প্রতিটি জেলা ধরে টার্গেট স্থির করতে হবে। এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে চা চক্র, নৈশভোজের আয়োজন করতে হবে। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী, দলীয় সাংসদ ও জনপ্রিয় নেতাদের নিয়ে প্রতিটি এলাকায় জনসংযোগ করতে হবে।

বিজেপি নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৯ বছরে যে সমস্ত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তা তুলে ধরতে হবে। মোট কথা, মোদীকে মুখ করেই সমস্ত প্রচার পরিকল্পনা বিজেপির। জনসংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি জনসভাতেও বিশেষ জোর দিয়েছে বিজেপি।
বাংলার প্রতি বিশেষ লক্ষ্য দিয়েছে বিজেপি। গত বিধানসভা নির্বাচনে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। তারপর সমস্ত নির্বাচনেই বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে বাংলায়। সেখান থেকে বেরোতে গেলে একটা বড় জয় চাই। ২০১৯-এর থেকেও বড় জয় পেতে হবে। তবেই বিজেপি তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে।

অমিত শাহ গতবার বাংলা সফরে এসে টার্গেট দিয়ে গিয়েচিলেন ৩৫ আসনে জেতার। এবার সেই টার্গেট পূরণে দিলেন ১০০ সভা করার নিদান। ২০২৪-এর লক্ষ্যে কোন কোন পন্থা অবলম্বন করে প্রচার পরিকল্পনাকে তারা চূড়ান্ত রূপ দিতে পারে তার একটা সার্কুলার প্রতি রাজ্যেই পাঠানো হয়েছে।
বঙ্গ বিজেপিকে বলা হয়েছে, প্রতিটি মণ্ডল স্তরে একটি করে সভা করতে হবে। অন্তত ১০০ জনের সভা করতে হবে। সব লকসভায় বুদ্ধিজীবীদের সভায় নিয়ে আসতে হবে। সেখানে ক্রীড়াবিদ, ব্যবসায়ী, শহিদ পরিবারের সদস্যদেরও শামিল করতে হবে। সমাজের সর্বস্তরকে শামিল করার পাশাপাশি আদি-নব্যের সমন্বয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications