দুই দেশের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে একটি গ্রাম, এক কামরার ঘরেই মেলে সীমান্তপারের অনুভূতি
একটি গ্রাম জুড়েছে দুই দেশকে। আর এ গ্রামের একটি ঘরেই মেলে সীমান্তপারের অনুভূতি। ওই ঘরের উপর দিয়েই হয়েছে দেশভাগ। খাওয়া-দাওয়া সারতে হয় ভারতে আর ঘুমোতে যেতে হয় মায়ানমারে। দিনে কতবার যে দেশ পারাপার করতে হয়, তা গুণে শেষ করা যাবে না।
এ এমনই এক বাড়ি, যে বাড়ির রান্না ঘর ভারতে আর শোবার ঘর মায়ানমারে। ভারত ও মায়ানমারেরে অবস্থিত এই গ্রামের নাম লংগোয়া। ভারতের নাগাল্যান্ডের মন জেলার মধ্যে পড়ে সেটি। এই গ্রামের একদিনে মায়ানমারের ঘনজঙ্গল, অন্যদিকে ভারেতর উর্বর কৃষি জমি।

মূলত এই গ্রামে বাস করে কৌনিয়াক নাগা উপজাতির মানুষ। এই গ্রাম জুড়েছে দুই দেশকে। এই লংগোয়া গ্রামের মধ্য দিয়ে চারটি নদী বয়ে গিয়েছে, এক মধ্যে দুটি নদী ভারতে, দুটি নদী মায়ানমারে পড়েছে। কিন্তু কী করে এমনটা হল, একটি গ্রামের মাঝ বরাবর সীমান্তরেখা টানা হল।
শুধু কি একটি গ্রামের মাঝ বরাবর গিয়েছে সীমান্তরখা। সীমান্তরখা গিয়েছে একটি বাড়ির মাঝ বরাবর। বাড়ির গেটের একদিক ভারতের, অনদিক মায়ানমারের। রান্নাঘর ভারতের দিকে, শোবার ঘর মায়ানমারের দিকে। এভাবে ওই বাড়ির বাসিন্দারা দিনরাত 'সীমান্তপার' করে চলেছেন।
এই সীমান্তরেখা গিয়েছে গ্রামের প্রধানের বাড়ির মধ্য গিয়ে। তার জেরে এমনই এক রসিকতা চালু আছে গ্রামে যে, গ্রামপ্রধান ভারতে খান, ঘুমোতে যান মায়ানমারে। কেননা তাঁর বাড়ি মাঝবরাবর তলে গিয়েছে সীমান্ত। এক কামরা ঘরে থেকেই তিনি পান দুই দেশে বসবাসের অনুভূতি ও আনন্দ।
শুধু গ্রামের প্রধান এই অনুভূতি স্বাদ একা পান না। কাঁটাতারের বেড়া, সীমান্ত সমস্যা, দ্বন্ব্ম, অশান্তি কিছুই নেই। দেশ পারপারের জন্য এ গ্রামে ভিসা পাসপোর্টও লাগে না। এ গ্রামের মানুষ দ্বৈত নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তাঁরা ভারতেরও নাগরিক, মায়ানমারেরও নাগরিক। দুই দেশেই তাঁদের অবাধ গতিবিধি।

ভারতের মধ্যে এই লংগোয়া এমন একটি গ্রাম যে গ্রামের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে। ভারতের মধ্যেই আরও এক ভারতের সন্ধান মিলল। সম্প্রতি নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তেমজেন ইমনা আলং সো্শ্যাল মিডিয়ায় এই আজব গ্রামের আজব উপাখ্যান তুলে ধরেন। তিনি টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
তিনি টুইটারে বর্ণনা করেন এক অভূতপূর্ব ভারতের কাহিনি। ইতিহাস বলছে, ভারত ও মায়ানমার সীমান্তের নকশা তৈরির হওয়ার বহু আগে লংগোয়া গ্রামের পত্তন হয়। যখন সীমান্তরেখা টানা হয় তখন গ্রামের বাসিন্দারা পরস্পরের থেকে কেউ আলাদা হতে চাননি।
তাই গ্রামের মধ্য দিয়েই সীমান্তরেখা টানলেও তাঁদের মনে সীমান্তরেখার প্রভাব ফেলা সম্ভব হয়নি। আজও তারা এই গ্রামে এক হয়ে রয়েছেন। দুদিকেই গ্রামের বাসিন্দাদের অবাধ যাতায়াত। কোনো অশান্তি নেই, ক্ষোভ নেই। ভালোই আছে দুই দেশের মেলবন্ধনের গ্রাম লংগোয়া!
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications